The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের অস্তিত্ব খুঁজে পেলো নাসা

পৃথিবীতে যেমন সমুদ্রের গভীরে জলবিদ্যুৎ শক্তি রয়েছে, ঠিক তেমনই এখানেও তা পাওয়া গেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব আবিষ্কার করলো নাসা। গ্রহটির দক্ষিণ দিকে এরিদানিয়ায় সমুদ্র থাকার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে নাসা। নাসার মার্সরেকনাইসেন্স অর্বিটার এই তথ্যটি দিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে বলা হয়, এরিদানিয়ায় প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বে সমুদ্র ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে সমুদ্রের তলার হাইড্রোথার্মাল অ্যাক্টিভিটির নিদর্শনও পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, পানি গরম হয়ে বাস্পীভূত হয়ে এই জায়গাটির সৃষ্টি হয়েছে। নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের পল নাইলস জানিয়েছেন, জায়গাটি সেখানে সমুদ্র থাকার প্রমাণ বহন করে।

মঙ্গল গ্রহে সমুদ্রের অস্তিত্ব খুঁজে পেলো নাসা 1

মঙ্গল গ্রহে পানির অস্তিত্ব আবিষ্কার করলো নাসা। গ্রহটির দক্ষিণ দিকে এরিদানিয়ায় সমুদ্র থাকার চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে নাসা। নাসার মার্সরেকনাইসেন্স অর্বিটার এই তথ্যটি দিয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে বলা হয়, এরিদানিয়ায় প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন বছর পূর্বে সমুদ্র ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। সেখানে সমুদ্রের তলার হাইড্রোথার্মাল অ্যাক্টিভিটির নিদর্শনও পাওয়া গেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন যে, পানি গরম হয়ে বাস্পীভূত হয়ে এই জায়গাটির সৃষ্টি হয়েছে। নাসার জনসন স্পেস সেন্টারের পল নাইলস জানিয়েছেন, জায়গাটি সেখানে সমুদ্র থাকার প্রমাণ বহন করে।

খবরে আরও বলা হয়, পৃথিবীতে যেমন সমুদ্রের গভীরে জলবিদ্যুৎ শক্তি রয়েছে, ঠিক তেমনই এখানেও তা পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, এখানে প্রাণ থাকার উপযুক্ত পরিবেশও রয়েছে। জীবনের জন্য কোনও রকম অসাধারণ আবহাওয়ার দরকার হয় না। শুধু মাটি, তাপ এবং পানি হলেই চলে। মঙ্গল গ্রহরে ওই অঞ্চলে তার প্রতিটি উপাদানই পাওয়া গেছে।

এই বিষয়ে গবেষকরা জানিয়েছেন যে, এরিদানিয়ায় পানির যে চিহ্ন পাওয়া গেছে তা নেহাতই কম নয়। প্রায় ২ লাখ ১০ হাজার কিলোমিটার জুড়ে সমুদ্র থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ধাতব মিশ্রণও এখানে পাওয়া যায়। অভ্র ও কার্বোনেটের প্রমাণও পাওয়া গেছে। সেগুলো যেভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে, তাতে পানি থাকার সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, ওই এলাকাটিতে লাভার চিহ্নও পাওয়া গেছে। লাভার প্রমাণ পাওয়ার পর এই বিষয়টি স্পষ্ট যে, এখানে আগ্নেয়গিরির অস্তিত্ব ছিল। নাইলস জানিয়েছেন যে, মঙ্গলে নতুন অ্যাস্ট্রোবায়োলজিক্যাল টার্গেটের প্রমাণ দিয়েছে এরিদানিয়া।

এরিদানিয়ায় পাওয়া এসব প্রমাণ শুধু মঙ্গল গ্রহের ক্ষেত্রেই নয়, পৃথিবীর ক্ষেত্রেও এটি একটি নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। পৃথিবীতে জীবন কীভাবে এলো সে বিষয়েও নতুন দিশা দেখাতে পারে মঙ্গল গ্রহ।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...