The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

৪০ বছর ধরে হিন্দুর ভূমিকায় মা: ছেলেরা এতোদিনে জানতে পারলেন তাদের মা মুসলিম

মেয়েটির নাম সরিতন্নেসা, সে মুসলিম। তবে উভয়ের সম্মতিতে তখন বিয়ে হয়। বউয়ের নাম দেওয়া হয় ‘আশাদেবী’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সত্যিই এক বাস্তব সত্য প্রকাশের অন্য রকম এক খবর। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে হিন্দু মায়ের ভূমিকা পালন করেছেন মা। ছেলেরা এতোদিন পর জানতে পারলেন তাদের মা আসলে একজন মুসলিম!

৪০ বছর ধরে হিন্দুর ভূমিকায় মা: ছেলেরা এতোদিনে জানতে পারলেন তাদের মা মুসলিম 1

ঘটনাটি ছিলো এমন: এক কিশোরীকে ভারতের গুয়াহাটির রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে ১৭ বছরের কিশোর রামদুলারি প্রসাদের খুব মায়া হয়েছিল। ওই কিশোরীর বয়স তখন মাত্র ১২ বছর। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা কিশোর গুয়াহাটিতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন সেই সময়। মেয়েটিকে সে মালিকের কাছে নিয়ে যান। মালিক তাকে বাড়ির কাজ করার কথা বলে থাকতেও দেন। রামদুলারির বয়স যখন ২৩ বছর, ওই সময় গোরক্ষপুর নিজের গ্রামে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। ততোদিনে প্রাপ্তবয়স্কও হয়ে গেছে ওই কিশোরী। পারস্পরিক দেখা-সাক্ষাতে প্রেমও হয়ে যায়।

রামদুলারি মালিকের কাছে গিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তবে মেয়েটির নাম সরিতন্নেসা, সে মুসলিম। তবে উভয়ের সম্মতিতে তখন বিয়ে হয়। বউয়ের নাম দেওয়া হয় ‘আশাদেবী’। গুয়াহাটিতে বিয়ে সেরে রাম এবং আশা পাড়ি দেন গোরক্ষপুরে। পেছনে পড়ে থাকে সরিতন্নেসার অতীত দিনগুলো।

সেই স্মৃতি, গুগল ও ছেলের নাছোড়বান্দা মনোভাবের কারণেই ৪০ বছর পর দেখা হলো মা ও মেয়ের মধ্যে। মেয়েকে দেখে আত্মহারা, অশীতিপর হাজেরা খাতুন জানান, তার অভাবের সংসার। তাই একমাত্র মেয়েকে সঙ্গে নিয়েই গুয়াহাটিতে বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করতেন। মেয়েকে রেখে যেতেন অস্থায়ী আস্তানায়। এক দিন তাকে খুঁজতে বেরিয়ে হারিয়ে যায় সরিতন্নেসা। বহু খোঁজাখুঁজির পরেও মেয়েকে না পেয়ে গ্রামে ফিরে আসেন তিনি। এদিকে, রামদুলারি এবং আশাদেবীর এখন তিন সন্তান। এখনও মিস্ত্রির কাজ করা রামদুলারি ছেলেদের লেখাপড়ায় কখনও কার্পণ্য করেননি। বড় ছেলে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্ন করছেন। আর মেজো ছেলে বিজ্ঞানের শিক্ষক। তাদের ছোট ছেলেও ডাক্তারি পড়ছে।

আশাদেবী বলেন যে, ছোট ছেলেকে মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকতে দেখে একদিন বলি, খুঁজে দে দেখি আমার সেই গ্রামটা। নগরবেরা ও জলজলি নদীর নামটুকুই মনে ছিল তার। ছেলে খোঁজ শুরু করেন। তখন পাওয়া যায় নগরবেরার সার্কল অফিসার ধ্রুবজ্যোতি দাসের মোবাইল নম্বর। সেখানে ফোন করেই মায়ের গল্প শোনান ছেলে। ধ্রুবজ্যোতি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, কল্যাণপুর-বালিজারা গ্রামে হাজেরা খাতুনের মেয়ে হারিয়ে গিয়েছিল ১২ বছর বয়সে। তিনি এখনও বেঁচে রয়েছেন। ওই গ্রামের পাশেই বইছে জলজলি। গত সপ্তাহে স্বামী ও ছোট ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ৪০ বছর পর সরিতন্নেসা হাজির হন তার শৈশবের সেই গ্রামে। ১২ বছরের সেই হারানো মেয়ে এখন ৫২ বছর বয়সী একজন মা। তিনি তিন সন্তানের মা। হাজেরা নিজের চোখকেই যেনো বিশ্বাস করতে পারেন না! তবে হিন্দু মা যে আসলে মুসলিম, তা জেনে সমস্যা হয়নি ছেলেদের কারও।

আশাদেবী জানিয়েছেন, ছেলেরা বড় হওয়ার পরেই সে কথা তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। মায়ের জন্মগত ধর্ম নিয়ে তাদের কারো মাথাব্যথাও ছিল না। রামদুলারি বিশ্বাস করেন যে, একদিন অসহায় এক কিশোরীকে আশ্রয় দিয়ে যে পুণ্য করেছেন তার বাবা, তারই ফল হলো এই তিন রত্ন-ছেলে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx