The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সাশ্রয়ী দামের কয়েকটি ল্যাপটপ সম্পর্কে জেনে নিন

সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখেই বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ল্যাপটপ কিনতে গেলে চিন্তাই পড়তে হয়। কারণ আপনার বাজেট কম থাকায় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই আজ সাশ্রয়ী দামের কয়েকটি ল্যাপটপ সম্পর্কে জেনে নিন।

ওয়ালটন

দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন বাজারে নিয়ে এলো সাশ্রয়ী মূল্যের ল্যাপটপ। সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার কথা মাথায় রেখেই বাজারে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বেশ কয়েকটি ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন। শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে ৫ শতাংশ ছাড়ে কেনার সুবিধাও।

১৯ হাজার ৯৯০ টাকায় ডব্লিউপিআর১৪এন৩৩বিএল এবং ডব্লিউপিআর১৪এন৩৩এসএল
২১ হাজার ৯০০ টাকায় ডব্লিউপিআর১৪এন৩৪জিএল ও ডব্লিউপিআর১৪এন৩৪জিআর
২৬ হাজার ৯৫০ টাকায় প্রিলোড এন৫০০১ ও প্রিলোড এন৫০০০
২৫ হাজার ৯৯০ টাকায় প্রিলোড এ৯৪০০ মডেলের সুদৃশ্য ল্যাপটপ বর্তমানে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

ডিজিটাল লাইফ

সাশ্রয়ী দামের ল্যাপটপ বাজারজাত করে দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আমেরিকান ব্র্যান্ড লাইফ ডিজিটাল নামক প্রতিষ্ঠানটি। লাইফ ডিজিটালের বাংলাদেশ প্রতিনিধি নাসিরউদ্দিন এই বিষয়ে জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে লাইফ ডিজিটালের ৪টি মডেলের ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে জেড এয়ার প্লাস এর দাম ২৪ হাজার টাকা, জেড এয়ার এইচথ্রি ল্যাপটপ ২৬ হাজার টাকা ও জেড এয়ার সিএক্সথ্রি ২৯ হাজার ৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে।

এ ছাড়াও জেড এয়ার সিএক্স থ্রি (৮ জিবি র‌্যাম) ল্যাপটপটি পাওয়া যাবে ৩৩ হাজার ৫০০ টাকায়। ১৭.৩ ইঞ্চি টাচ ডিসপ্লে সমৃদ্ধ জেড পিসি অল ইন ওয়ান পাওয়া যাচ্ছে ৩১ হাজার ৫০০ টাকায়। লাইফ ডিজিটালের অল ইন ওয়ান পিসিতে রয়েছে হার্ডওয়্যার পরিবর্তন এবং ব্যাটারি ব্যাকআপের মতোই দুটি অনন্য ফিচার। রয়েছে সর্বোচ্চ ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ সুবিধাও।

লাইফ ডিজিটালের প্রতিটি ল্যাপটপেই রয়েছে আসল উইন্ডোজ। শিক্ষার্থীবান্ধব হালকা ওজনের এসব ল্যাপটপে বেসিক সব রকম কাজই করা যাবে।

আসুস

এক্স৫০৭এমএ হলো আসুসের একটি সাশ্রয়ী মডেল। ১৪ ইঞ্চি এলইডি ব্যাকলাইট এইচডি ডিসপ্লের ল্যাপটপটিতে আরও রয়েছে ইন্টেল সেলেরন ডুুয়াল কোর প্রসেসর। এতে ৪ গিগাবাইট র‌্যাম (জিবি), ৫০০ জিবি রম, ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৬০০, ফ্রি অপারেটিং সিস্টেম (এওএস), ভিজিএ ওয়েবক্যাম তিন সেলবিশিষ্ট ৩৩ ঘণ্টা ব্যাকআপের ব্যাটারিসহ এটির ওজন মাত্র দেড় কেজি। দাম রাখা হয়েছে ২৪ হাজার টাকা।

এ ছাড়াও ২৪ হাজার ৫০০ টাকায় এক্স৫০৭এমএ সেলেরন ডুয়াল কোর
২৯০০ হাজার ৮০০ টাকায় এক্স৪০৭এমএ এবং এক্স৫০৭এমএ পেন্টিয়াম কোয়াড কোর
২৫০০ হাজার ৫০০ টাকায় এক্স৫০৭এমএ সেলেরন ডুয়াল কোর
২৫ হাজার টাকায় এক্স৫৪০ওয়াইএ এএমডি ডুয়াল কোর এবং এ৪৪১এমএ-এন৪০০০ সেলেরন
২৬০০ হাজার ৫০০ টাকায় এক্স৪৪১এমএ সেলেরন ডুয়াল কোর
২৭০০ হাজার ৫০০ টাকায় এক্স৫৪৩এমএ সেলেরন ডুয়াল কোর ও ই২০৩এনএএইচ নোটবুক বাজারে এনেছে আসুস।

এসার

এসার অ্যাস্পার ইএস১-৫৩৩ : ল্যাপটপটি এসারের সবচেয়ে কম দামের ল্যাপটপ। ১৫.৬ এলইডি ডিসপ্লের ল্যাপটপটিতে রয়েছে ৪ গিগাবাইট র‌্যাম (জিবি), ৫০০ জিবি রম, ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫০৫, এইচডি ওয়েবক্যাম.ওয়্যারলেস ল্যান, ২ বছরের ওয়ারেন্টির মিডনাইট ব্লাক ল্যাপটপটির দাম ২২ হাজার ৭০০ টাকা।
অ্যাস্পার এ৩১৫-২১ : ল্যাপটপটিতে রয়েছে এএমডি-এ৪-৯১২০ই প্রসেসর, ১৫.৬ ডিসপ্লে, ৪ গিগা’বাইট র‌্যাম (জিবি), ১ টেরাবাইট (টিবি) রম, ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৫০০, ইন্টেল চিপসেট, ফ্রি অপারেটিং সিস্টেম (এওএস), সাড়ে ৫ ঘণ্টা ব্যাটারি লাইফ, স্টোরিও অডিও, ২.১ কেজির কালো রঙের ল্যাপটপটির রয়েছে ২ বছরের ওয়ারেন্টি। মূল্য ২৪ হাজার টাকা।
অ্যাস্পার এ৩১৫-২১: ল্যাপটপটিও প্রায় একই কনফিগারেশনের যার দাম ২৪ হাজার ৮০০ টাকা। এ ছাড়াও ২৯ হাজার ৫০০ টাকায় অ্যাস্পার এ৩১৪-৩১, ২৩ হাজার ৮০০ টাকায় অ্যাস্পার ৩এ ৩১১-৩১, ২২ হাজার ৭০০ টাকায় অ্যাস্পার ইএস১-৫৩৩, ২৬ হাজার টাকায় এ৩১৫-৩১, ২৫ হাজার ৫০০ টাকায় অ্যাস্পার ইএস১-৫৩৩ ও ৪৩২ ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে।

ডেল

ইন্সপায়রন ১৫-৩৫৮০ এবঙ ১৪-৩৪৮০ মডেলটির দাম ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। ইন্টেল সেলেরন ৪২০৫ইউ প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‌্যাম (জিবি), ৫০০ জিবি রম, ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স ৬১০, ১৪ ইঞ্চি এলইডি-এইচডি ডিসপ্লে, ২.১ কেজির কালো রঙের ল্যাপটপটি কালো এবং সিলভার রঙে পাওয়া যাচ্ছে। ইন্সপায়রন ১৪-৩৫৭৩, ল্যাপটপটির দাম ২৪ হাজার টাকা। ইন্টেল সেলেরন ৪০০০ প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‌্যাম (জিবি), ৫০০ জিবি রম, ইন্টেল এইচ ডি গ্রাফিক্স ৬০০, ১৫.৬ ইঞ্চি এলইডি-এইচডি ডিসপ্লের ডিভাইসটির ওজন ২.২১ কেজির। এ ছাড়াও ২৪ হাজার ৫০০ টাকায় ইন্সপায়রন এন৩৫৫২ সেলেরন ডুয়াল কোর, ২৬ হাজার ৩০০ টাকায় ইন্সপায়রন এন৩৫৫২ পেন্টিয়াম কোয়াড কোর, ২৭ হাজার ৫০০ টাকায় ইন্সপায়রন ১৪-৩৪৭৩ মডেলসহ আরও কয়েকটি মডেলের ল্যাপটপ সাশ্রয়ীমূল্যে বাজারে নিয়ে এসেছে ডেল।

লেনোভো

আইডিয়াপ্যাড ৩৩০ : ইন্টেল সেলেরন এন ৪০০০ প্রসেসর, ৪জিবি ডিডিআর৪ র্যাম এবং ১ টিবির হার্ডড্রাইভ, ১৫.৬ ইঞ্চি স্ট্ক্রিন, ২.২ কেজি ওজনের এই ল্যাপটপটির বাজারমূল্য ২৪,৮০০ টাকা। আইডিয়াপ্যাড আইপি এস১৪৫-১৫আইডব্লিউএল পেন্টিয়াম গোল্ড ল্যাপটপটির রয়েছে ১৫.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ৪জিবি ডিডিআর৪ র্যাম এবং ১ টিবির হার্ডড্রাইভ ল্যাপটপটির ওজন ১.৮৫ কেজি। দাম ধরা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও ২৬ হাজার ৫০০ টাকায় আইডিয়াপ্যাড ৩৩০ সেলেরন ডুয়াল কোর, ২৮ হাজার ৮০০ টাকায় পেন্টিয়াম কোয়াড কোর, ২৫ হাজার ৫০০ টাকায় আইপি ৩৩০ এএমডি, আইপি ৩২০ মডেলসহ কয়েকটি মডেল বাজারে নিয়ে এলো লেনোভো।

এইচপি

একাধিক কনফিগারেশন রয়েছে এইচপি ১৫-তে। ৩ গিগাহার্জ এএমডি এ৯ প্রসেসর সঙ্গে ৪ জিবি ডিডিআপ৪ র‌্যাম, এএমডি র‌্যাডিয়ন ৫২০ ২ডিবি গ্রাফিক্স এবং ১ টিবির হার্ড ড্রাইভ, ওজন ২.১ কেজি, স্ক্রিন ১৫.৬ ইঞ্চির ল্যাপটপটির দাম মাত্র ২৩,৪৯৯ টাকা। ১৫-ডিবি০০৮৩এএক্স ও ১৫-ডিবি০০৮৪এএক্স মডেলের ১৫.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লের ল্যাপটপের বাজারমূল্য ২৫ হাজার ৫০০ টাকা। ২৫ হাজার টাকা ১৪-সিএম০১২০এইউসহ কমদামে এইচপি বাজারে এনেছে কয়েকটি ল্যাপটপ।

যেখানে পেতে পারেন ল্যাপটপগুলো

প্রতিটি ব্র্যান্ডের নিজস্ব শোরুম রয়েছে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইডিবি ভবন, এলিফেন্ট রোডের মাল্টিপ্ল্যান সেন্টার নিশ্চিন্তে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ আপনার বাজেট এবং চাহিদা অনুযায়ী আপনি কিনতে পারেন। এ ছাড়াও বসুন্ধরার যমুনা ফিউচার পার্ক, হাতিরপুলে ইস্টার্ন এবং মোতালিব প্লাজাসহ বিভিন্ন শোরুম এবং দোকান থেকে সাশ্রয়ীমূল্যের নানা ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে পারবেন। বিভাগীয় শহর ছাড়াও জেলা পর্যায়েও রয়েছে এইসব ল্যাপটপের শোরুম। আপনি চাইলেই অনলাইনে ছবি, রিভিউ এবং দাম দেখে পছন্দমতো অর্ডারও করতে পারেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...