The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

টিকা: দরিদ্র দেশগুলোকে ‘সুখবর’ দিলো ফাইজার

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা ভাইরাস রুখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টিকাদান কর্মসূচি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তবে যেসব দেশে শুরু হয়েছে তার অধিকাংশই হলো উন্নত দেশ। এই তালিকায় নাম নেই দরিদ্র দেশগুলোর। তবে দরিদ্র দেশগুলোকে ‘সুখবর’ দিলো ফাইজার।

টিকা: দরিদ্র দেশগুলোকে ‘সুখবর’ দিলো ফাইজার 1

দরিদ্র দেশগুলো আসলে কবে নাগাদ টিকা পাবেন সেটিও নিশ্চিত করে কেও বলতে পারছেন না। তবে এমন সময় শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) মার্কিন টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার (বায়োএনটেক) ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা দরিদ্র দেশগুলোকে ৪০ মিলিয়ন তথা ৪ কোটি করোনার টিকা দিবেন। যদিও সেগুলো বিনামূল্যে নয়, উৎপাদন মূল্যে দেবেন। অর্থাৎ এই ৪ কোটি ডোজ থেকে তারা কোনো রকম লাভ করবে না। কেবল উৎপাদন খরচটা নিয়েই দিবেন। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই দরিদ্র দেশগুলো ফাইজারের টিকা পেতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয় যে, স্বল্প আয়ের এসব দেশের টিকা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী ন্যায্য বিতরণ প্রচেষ্টা নিয়েছে আন্তর্জাতিক বেশ কয়েকটি সংগঠন। কোভ্যাক্স নামে এই কর্মসূচি আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হওয়ার কথাও রয়েছে।

কোভ্যাক্স-এ সহযোগী হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং টিকা অ্যালায়েন্স গ্যাভি। জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোন পাওয়া টিকার মধ্যে অন্যতম হলো ফাইজার।

ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আলবার্ট বউর্লা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে উৎপাদন খরচেই টিকা সরবরাহ করবে ফাইজার।

এই সুযোগটি পেয়ে গর্বিত উল্লেখ করে তিনি আরও বলেছেন, দরিদ্র দেশগুলোর চরম ঝুঁকিতে থাকা স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্যদের টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

অপরদিকে গ্যাভির প্রধান নির্বাহী (সিইও) সাথ বার্কলি জানিয়েছেন, কোভ্যাক্সকে প্রায় ১৫ কোটির মতো ডোজ টিকা দিতে প্রস্তুত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা। ডব্লিউএইচওর অনুমোদন পেলে আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে এই টিকা সরবরাহ করা হতে পারে।

কোভ্যাক্স কর্মসূচির বিষয়ে তিনি আরও জানিয়েছেন যে, ২০২১ সালের প্রথম ৩ মাসের মধ্যে দরিদ্র দেশগুলোতে টিকা সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...