The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ম্যালওয়্যার স্মার্টফোনে ঢুকে চুরি করছে পাসওয়ার্ড!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ম্যালওয়্যার নিয়ে আপনি এতোদিন না ভাবলেও এখন আপনাকে ভাবতেই হবে। এর কারণ হলো ম্যালওয়্যার স্মার্টফোনে ঢুকে চুরি করছে পাসওয়ার্ড!

ম্যালওয়্যার স্মার্টফোনে ঢুকে চুরি করছে পাসওয়ার্ড! 1

জানা যায়, ফ্লুবট নামে একটি ম্যালওয়্যার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইন মাধ্যমে। মূলত অ্যানড্রয়েড ভিত্তিক স্মার্টফোনগুলোেই এই ম্যালওয়্যারের আসল লক্ষ্য। ম্যালওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে কেবলমাত্র ব্যবহারকারীদের অনলাইন ব্যাংকিংয়ের একাউন্টের আইডি এবং পাসওয়ার্ড চুরি করার জন্যই। শুধু তাই নয়, ব্যাংক একাউন্টের অন্যান্য তথ্য এবং ফোন নম্বরও হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে এই ম্যালওয়্যারের মাধ্যমেই।

জানা গেছে, সাইবার অপরাধীরা ম্যালওয়্যারটি ছাড়াতে এসএমএস মাধ্যমকেই ব্যবহার করছে। টার্গেট করা ব্যবহারকারীদের মোবাইলে প্রথমে এসএমএস পাঠানো হয়। এইসব এসএমএস দেখলে মনে হবে কোনো ই-কর্মাস সাইটের অর্ডার সংক্রান্ত তথ্যই যেনো পাঠানো হয়েছে। এই এসএমএসে একটি লিংক দেওয়া থাকে, অর্ডার বা ডেলিভারি তথ্য জানতে এই লিংকটিতে ক্লিক করতে বলা হয়ে থাকে।

যখনই এই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে এই লিংকটিতে ক্লিক করেন, তখনই অপরাধীদের সার্ভারে রাখা ম্যালওয়্যার সম্বলিত ভূয়া অ্যাপ ফাইল (অ্যানড্রয়েড প্যাকেজ ফাইল কিংবা এপিকে) ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনে তখন ইনস্টল হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় তথ্য চুরির প্রক্রিয়াটি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ হতে জানা যায়, তাদের মোবাইলে ডিএইচএল, আসডা, অ্যামাজন, আর্গোস হতে ভূয়া ডেলিভারি সংক্রান্ত এসএমএস আসে। সেইসব এসএমএসের লিংকে ক্লিক দিতে গিয়ে তারা সাইবার প্রতারণার শিকার হয়ে পড়েন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) এই ইস্যুটির কথা মাথায় রেখেই একটি দিকনির্দেশনাও প্রকাশ করেছে। স্মার্টফোনে এই ম্যালওয়্যার সনাক্ত করে কিভাবে এটিকে মুছে ফেলা যায়, সেই বিষয়ে সেখানে ধারণাও দেওয়া হয়েছে।

ভোডাফোন এবং থ্রিসহ কয়েকটি মোবাইল ও নেটওয়ার্ক অপারেটর এই বিষয়ে বার্তা পাঠিয়ে গ্রাহকদের সতর্কও করে দিয়েছে। যাতে তারা কোনো লিংকে অযথা ক্লিক না করেন এবং এই বিপদ থেকে দূরে থাকেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...