The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

শুধু ঠাণ্ডা সমস্যা দূর নয় কিডনির রোগও সারাবে তুলসি পাতা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা এতোদিন জানতাম তুরসি পাতা ঠাণ্ডা লাগলে উপকার করে। তবে শুধু ঠাণ্ডা সমস্যা দূর নয়, এবার জানা গেলো কিডনির রোগও সারাবে তুলসি পাতা।

শুধু ঠাণ্ডা সমস্যা দূর নয় কিডনির রোগও সারাবে তুলসি পাতা 1

তুলসি পাতায় রয়েছে বহু ঔষধি গুণ ও রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। ছোটোখাটো অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে এই তুলসি পাতা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আজ দেখে নেওয়া যাক এমনই ৫টি শারীরিক সমস্যায় প্রতিকার হিসেবে তুলসি পাতার গুণ।

গলা ব্যথায় তুলসি পাতা

সামান্য গরম পানিতে তুলসি পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে কুলকুচি করলে কিংবা তা পান পারলে গলার ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।

সর্দি ও কাশিতে তুলসি পাতা

সর্দি-কাশি প্রায় প্রত্যেকটি মৌসুমের খুব সাধারণ একটি সমস্যা। এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে হতে তুলসি পাতা ৫ মিনিট ধরে চিবিয়ে রসটি গিলে নিতে হবে। তাহলে এই সমস্যার হাত থেকে খুব সহজেই সমাধান পেয়ে যাবেন।

ত্বকের সমস্যা তুলসি পাতা

ত্বকে ব্রণসহ নানা সমস্যা সমাধানের একটি সহজলভ্য এবং অন্যতম উপাদান হলো এই তুলসি পাতা। নানা রকম অ্যালার্জির সমস্যাতেও তুলসিপাতা অত্যন্ত কার্যকর একটি জিনিস। তুলসি পাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি অনেকটাই কমে যাবে।

জ্বর হলে

তুলসি পাতা সব থেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে রক্ষা করবে তা হলো জ্বর। চায়ে তুলসি পাতা সেদ্ধ করে পান করলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ হতে রক্ষা পেতে পারেন। আপনার পরিবারের কারও জ্বর হলে তাকে তুলসি পাতা ও দারুচিনি মেশানো ঠাণ্ডা চা পান করতে হবে। তাতে জ্বর সেরে যাবে খুব দ্রুত।

কিডনির সমস্যা সমাধানে

তুলসি পাতা কিডনির বেশ কিছু সমস্যার সমাধান করে। তুলসি পাতার রস প্রতিদিন একগ্লাস করে খেলে, কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যেতে পারে। যদি কিডনিতে পাথর জমে যায়, তাহলে তুলসিপাতার রস টানা ৬ মাস খেতে পারলেই সেই স্টোন মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...