The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে এবার নকল করা যাবে কণ্ঠস্বর!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার হওয়ায় যেমন বাড়ছে সুবিধা অপরদিকে বাড়ছে নানা ঝুঁকিও। তবে ঝুঁকি যাই থাক না কেনো এবার আবিষ্কৃত হয়েছে মানুষের কণ্ঠ নকল করার অভিনব প্রযুক্তি!

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে এবার নকল করা যাবে কণ্ঠস্বর! 1

এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কারও কণ্ঠ হুবহু নকল করা সম্ভব! মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ বিজ্ঞানের অধ্যাপক রুপাল প্যাটেলের ভোকালআইডি প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেছে।

এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করার কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন যে, যেসব রোগী অসুস্থতার কারণে বা অস্ত্রোপচারের পর কথা বলার ক্ষমতা হারিয়েছেন তাদের কণ্ঠস্বর যন্ত্রের সাহায্যে কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে এই প্রযুক্তির আবিষ্কার করা হয়। এটি চিকিৎসা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তিনি মনে করেন।

অধ্যাপক রুপাল প্যাটেল বলেছেন, এই প্রযুক্তি কাজ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকে। কী প্রয়োজন সেটি বুঝতে পারার ক্ষমতা এআই-এর রয়েছে এবং সেটা বুঝে এআই নিজেই ঠিক করে নেয় তার কাছে আসলে কী চাওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে এই প্রযুক্তি অনেকটা উন্নত হয়েছে এবং মানুষের কণ্ঠস্বর হুবহু নকলও করতে পারছে। এখন শুধু কণ্ঠস্বর হারানো রোগীই নয়, এদের মধ্যে রয়েছেন ভয়েসওভার শিল্পীরা।

যন্ত্রটি পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন ভয়েস আর্টিস্ট ও অভিনেতা টিম হেলার। পরীক্ষা শেষে তিনি বলেছেন, আমার কণ্ঠস্বরের নকল শোনার পর, আমার চোয়াল যেনো মাটিতে গিয়ে ঠেকেছিল! অবিশ্বাস্যরকম মিল দেখে রীতিমতো আমার মাথা ঘুরে গিয়েছিল।

এই সিস্টেমে ভয়েস নকলের জন্য কাওকে মাত্র কয়েক মিনিট তার কণ্ঠের রেকর্ডিং করে দিতে হয়। এর থেকেই সফটওয়্যার তখন জেনে যায় তার কণ্ঠের আওয়াজ, তার বাচনভঙ্গি ও কীভাবে ওই ব্যক্তি কথা বলছেন।

কণ্ঠস্বর নকল করা নিয়ে যতোই আশার কথা হোক না কেনো? বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, এ প্রযুক্ত ব্যবহার করে অপরাধীরা এখন থেকে আরও বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়বে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...