The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

চীনের ই-কার: এক চার্জে ৩০৫ কি.মি. চলবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চীন এবার আনতে চলেছে নতুন ইলেকট্রিক কার। এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে কমদামি ই-কার। যেটা এক চার্জেই চলবে ৩০৫ কিলোমিটার। চীনের উলিং হংগুয়াং নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব এই গাড়িটি আনতে চলেছে।

চীনের ই-কার: এক চার্জে ৩০৫ কি.মি. চলবে 1

ইতিপূর্বে মিনি ইলেকট্রিক কার এনে চমকে দিয়েছিল চীনের এই কোম্পানী। ২০২০ সালে দ্বিতীয় বেস্ট সেলিং ইলেকট্রিক গাড়ির তকমাও পেয়েছিলো সেই গাড়ি। সব মিলিয়ে এক বছরে ১,১৯,২৫৫ টি গাড়ি বিক্রি হয় উলিং হংগুয়াং-এর ইলেকট্রিক গাড়িটি। এবার বিক্রির সেই ধারা অব্যাহত রাখতে বিশ্বের সবচেয়ে কম দামী গাড়ি আনতে চলেছে হংগুয়াং। যার নাম দেওয়া হয়েছে ন্যানো। ভারতের টাটার এক লাখের গাড়ির সঙ্গে নামের মিল থাকায় কৌতূহল জাগতে পারে এই ইলেকট্রিক গাড়ির বিষয়েও।

কোম্পানীটির দাবি, বিশ্বের সবথেকে ছোট ইলেকট্রিক গাড়ির পাশাপাশি এই গাড়ির সঙ্গে জুড়ে যাবে আরও একটি তকমা। দামের প্রতিযোগিতায় সবথেকেও সস্তা হবে এই ন্যানো গাড়িটি। ‘কার নিউজ চায়না’র রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, ২০,০০০ ইয়ুন দাম হতে চলেছে এই গাড়িটির।

জানা গেছে, ভারতের টাটার ন্যানোর থেকেও আয়তনে কম হবে এই গাড়িটির। চীনের ন্যানোর দৈর্ঘ্য হবে ২৪৯৭ এমএম এবং চওড়ায় এই গাড়ি হবে ১৫২৬ এমএম। গাড়ির উচ্চতা হবে ১৬১৬ এমএম। টাটার ন্যানোর দৈর্ঘ্য ছিল ৩ মিটারেরও বেশি। মূলত শহরের জন্যই তৈরি করা হচ্ছে ইলেকট্রিক ন্যানো। ৪.৫ ঘণ্টায় পুরো চার্জ হবে এই গাড়িটি। সবথেকে বড় বিষয় হলো, এক চার্জে ৩০৫ কিলোমিটার পথ পর্যন্ত চলতে পারবে চীনের এই ইলেকট্রিক ন্যানো গাড়িটি।

আবার ডিজাইনের দিক থেকেও কোনও অংশে কম নয় এই গাড়িটি। গাড়িতে দেওয়া হয়েছে এলইডি হেডলাইটস, কি লেস এন্ট্রি, ৭ ইঞ্চির ডিজিটাল স্ক্রিন। এই ইলেকট্রিক গাড়ির মধ্যে আরও রয়েছে এবিএস এবং ইবিডি। ফিচারের দিক থেকে পথচারীরা সামনে আসার আগেই সতর্ক করবে এই গাড়িটি। সাধারণত প্রিমিয়াম গাড়ির ক্ষেত্রেও এই ধরনের ফিচার ব্যবহার করে থাকে কোম্পানিগুলো, এটিতেও তা দেওয়া হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...