The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে দুই মাতালের ঘুম!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্যারিসের আইকনিক আইফেল টাওয়ারের ওপর দুই মাতাল মার্কিন পর্যটককে ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। আগের রাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে তারা সেখানে ওঠে পড়েন!

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে দুই মাতালের ঘুম! 1

পরের দিন ভোরে আইফেল টাওয়ার খোলার আগে তল্লাশির সময় নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে এই দুই ব্যক্তি। পরে একটি বিশেষজ্ঞ ইউনিটসহ অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের তৎপরতায় তাদের সেখান থেকে নামানো হয়। -খবর ডেইলি মেইল এর।

আইফেল টাওয়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নেশা চড়ে যাওয়ায় ওই দুই পর্যটক টাওয়ারে আটকা পড়েন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, মার্কিন দুই নাগরিক রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রবেশের টিকিট কেনেন। টাওয়ারের দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় তলায় অবস্থান করে রাতের আকাশ উপভোগ করেন তারা। ওই জায়গাটি সাধারণত জনসাধারণের জন্য বন্ধ থাকে। যদিও পর্যটক দুই জন কোনো রকম হুমকি সৃষ্টি করেনি। তাদের ঘুম থেকে জাগিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদেরকে প্যারিস থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হতে পারে। এমন কাণ্ডের কারণে ঘটনার পরের সকালে টাওয়ারটি জনসাধারণের জন্য খুলে দিতে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়।

এর ঠিক দুইদিন আগে বোমা হামলার হুমকি জেরে আইফেল টাওয়ারের ৩টি তলা খালি করা হয়। টাওয়ারটি পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ এসইটিই জানিয়েছে যে, সেখানকার একটি রেস্তোরাঁসহ ৩টি তলা এবং সামনের চত্বর পুরোপুরি খালি করে ফেলা হয়। তারপর পুলিশ এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা তল্লাশি চালান।

উল্লেখ্য, ‘লা ডেম দে ফের’ (ফরাসি ভাষায় আয়রণ লেডি) নামে পরিচিত আইফেল টাওয়ারের উচ্চতা হলো ৩৩০ মিটার (১০৮৩ ফুট)। এটি প্যারিসের সবথেকে উঁচু কাঠামো। অনন্য এই স্থাপনা দেখতে গত বছর ৬২ লাখ দর্শনার্থীর ভিড় করেছিলো। এই টাওয়ারের নির্মাণকাজ ১৮৮৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় এবং ১৮৮৯ সালের ৩১ মার্চ তা শেষ হয়েছিলো।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali