The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নিয়মিত কয়েকটি ব্যায়ামে সর্দি-কাশি এমনকি জ্বর থেকেও দূরে রাখবে!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সুস্থ থাকতে চিকিৎসকের পরামর্শ-ওষুধ ছাড়া বিকল্প নেই। তবে রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে কয়েকটি যোগাসনও সহয়াক হতে পারে। কী সেই ব্যায়াম?

নিয়মিত কয়েকটি ব্যায়ামে সর্দি-কাশি এমনকি জ্বর থেকেও দূরে রাখবে! 1

সাধারণত শীতকাল সর্দি-জ্বর ও গলা খুসখুসের সময়। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন ছোটখাটো অসুস্থতা লেগেই থাকে। যদিও শীত এখনও খুব একটা জাঁকিয়ে পড়েনি, তবে উত্তরে হাওয়ায় শিহরণ লাগছে- বিশেষ করে গ্রাম-গঞ্জে শীতের হাওয়া বইতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। হালকা গরমপোশাকের সঙ্গে শীতের পোশাকও পরতে হচ্ছে। শীতের এই সময়টিতে একটু সর্দি-কাশি হয়েই থাকে। তবে তা যাতে বাড়াবাড়ির পর্যায়ে চলে না আসে, সেজন্য সুরক্ষিত থাকতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ-ওষুধ রয়েছে। তবে রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে কয়েকটি যোগাসন করতে পারেন নিয়মিত।

সেতবন্ধনাসন

প্রথমেই মাটিতে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাঁটু ভাঁজ করে এরপর পা দুটো নিতম্বের কাছে রাখুন। এখন ধীরে ধীরে মাটি থেকে কোমর তুলে ধরুন। এখন দুই হাত টান টান করে, গোড়ালি স্পর্শ করার চেষ্টা করতে হবে। এই অবস্থায় ১০ সেকেন্ড থাকুন। ৪ থেকে ৫ বার এইভাবে অভ্যাস করুন।

অধোমুখাসন

এবার মাটির দিকে মুখ করে শুয়ে পড়ুন। এখন কাঁধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, তারপর শরীরের দু’পাশে দু’টি হাত রাখুন। এখন হাতে ভর দিয়ে দেহের ঠিক উপরিভাগ তুলে ধরুন। তবে কোমর থেকে পায়ের অংশ মাটির সঙ্গে ঠেকে থাকা অবস্থায় রাখতে হবে। এই অবস্থানে ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে। এটি ৩ থেকে ৪ বার অভ্যাস করুন।

ভুজঙ্গাসন

আপনাকে প্রথমেই মাটির দিকে মুখ করে শুয়ে পড়তে হবে। এরপর মাটি থেকে কোমর উঁচু করে তুলে ধরুন। এখন পা ও হাতের উপর ভর দিয়ে রাখুন। মাটির সঙ্গে দেহের অবস্থান এমনভাবে থাকবে, যেনো দেখতে অনেকটা ত্রিভুজের মতো দেখায়। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali