দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দেশের তরুণ প্রজন্মই সাহস এবং দৃঢ়তায় বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যুগ পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। সম্ভাবনাময় এ তরুণদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখতে বাংলালিংকের এআই প্রযুক্তিনির্ভর তারুণ্যের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড রাইজ চালু করেছে বিশেষ সব অফার ও বান্ডল। তরুণদের অদম্য প্রাণশক্তি এবং জাতির ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উদযাপনেই এ ক্যাম্পেইন চালু করা হয়েছে।

বর্তমান সময়ের তরুণদের পরিবর্তিত ডিজিটাল চাহিদা বিবেচনা করে গতবছর রাইজ চালু করে বাংলালিংক। পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কণ্ঠকে ঐক্যবদ্ধ করতে প্রযুক্তির ভূমিকা উপলব্ধি করে যাত্রা শুরু করে রাইজ। তরুণদের ক্ষমতায়ন এবং তাদের দক্ষ করে তোলা এবং অন্তর্ভুক্তির মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাইজ নিরবচ্ছিন্ন কানেক্টিভিটি সেবার পাশাপাশি অত্যাধুনিক এআই টুলস নিয়ে এসেছে, যা তরুণদের শেখার ধারা ত্বরান্বিত করতে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে এবং সৃষ্টিশীলতা বিকাশে ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য তরুণদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় রিসোর্স দিয়ে সমৃদ্ধ করা, যেন তারা সবসময় কানেক্টেড থাকতে পারেন এবং চলার পথে অনুপ্রাণিত বোধ করেন।
এই বিষয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে বলেন, “বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণ। তারা সম্ভাবনাময় শক্তি, সৃজনশীলতা এবং উদ্যমের উৎস। বাংলালিংকে আমরা বিশ্বাস করি, তরুণদের শুধুমাত্র কানেক্টিভিটি সেবাই নয়, পাশাপাশি, ডিজিটাল দুনিয়ায় সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস ব্যবহারেরও সুযোগ থাকা উচিত। এ ভাবনা থেকেই আমরা রাইজ চালু করেছি। তারুণ্য-কেন্দ্রিক এ ব্র্যান্ড এআই প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে এবং তদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বাড়াবে। বাংলাদেশের তরুণদের প্রতি সম্মান জানিয়ে জানিয়ে আমরা বিশেষ অফার নিয়ে এসেছি। আমাদের এ অফার প্রযুক্তিকে আরও সহজে ব্যবহারযোগ্য এবং অর্থবহ করে তুলবে; যা তাদের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখবে। কারণ, আমরা মনে করি, তরুণেরা জাগলেই, দেশ এগিয়ে যাবে।”
এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে, ৬ মাসের বিভিন্ন সুবিধাসহ নতুন সিম চালু করা হয়েছে, যেখানে থাকছে ৫০ জিবি ডেটা ও ৩০০ মিনিট। আরও থাকছে, টফির প্রিমিয়াম কনটেন্ট উপভোগ করা এবং এআই প্রোডাক্টিভিটি টুল ব্যবহারের সুযোগ। এই সিমের মাধ্যমে তরুণেরা দীর্ঘমেয়াদে কানেক্টিভিটি এবং বিনোদনের স্বাধীনতা উপভোগ করবেন।
রাইজের এআই প্রযুক্তিনির্ভর সেবার মধ্যে রয়েছে: যেকোনো ডকুমেন্ট সহজে সংক্ষেপিত করার টুল ‘সামারাইজ,’ লেখার মান উন্নত করার জন্য ‘গ্রামারাইজ’ ও সৃজশীলতা প্রকাশে ‘অ্যাভাটারাইজ।’ এই টুলগুলো ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রেও সফলতা অর্জনে ভূমিকা রাখবে। বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় এ টুলগুলো ব্যবহারের সুযোগ, বর্তমানে দেশের তরুণদের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে জন্য অর্থবহ ডিজিটাল সমাধান নিয়ে আসার ক্ষেত্রে রাইজের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
এছাড়াও, তরুণদের চাহিদা অনুযায়ী রাইজ চালু করেছে চারটি নতুন বান্ডল, যেখানে রয়েছে ডেটা ও ভয়েস মিনিট। নিচের বান্ডলগুলোর সাথে রয়েছে আনলিমিটেড ডেটা কলিং এবং টফির প্রিমিয়াম কনটেন্ট দেখা ও এআই প্রোডাক্টিভিটি টুল ব্যবহারের সুবিধা।
# স্টার্টার প্যাকে রয়েছে ৯৭ টাকায় ৩ দিনের মেয়াদে ৭ জিবি ডেটা
# ব্লেইজ বান্ডলে রয়েছে ১৯৭ টাকায় ৭ দিনের মেয়াদে ২৫ জিবি ডেটা ও ৫০ মিনিট
# ভাইব প্ল্যানে ২৯৭ টাকায় ৩০ মেয়াদে জন্য ২৫ জিবি ডেটা ও ২০০ মিনিট
# ফ্লাই বান্ডলে রয়েছে ৪৯৭ টাকায় ৩০ দিনের মেয়াদে ৬০ জিবি ডেটা ও ৩০০ মিনিট
দেশের তরুণদের যোগাযোগ, বিনোদন এবং প্রোডাক্টিভিটির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এ অফারগুলো নিয়ে আসা হয়েছে। সিম অফার ছাড়াও সম্প্রতি উন্মোচন করা বান্ডলে রয়েছে উচ্চগতির ইন্টারনেট, ভয়েস মিনিট, টফি প্রিমিয়াম উপভোগের সুযোগ এবং হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম ও ইমোর মত প্ল্যাটফর্মে আনলিমিটেড ডেটা কলিং -এর সুবিধা।
স্বল্প সময়ের জন্য হোক, কিংবা মান্থলি প্ল্যান, ব্যবহারকারীদের পছন্দ ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েই এই বান্ডল অফার উন্মোচন করা হয়েছে। ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং উদ্ভাবনে অগ্রাধিকার দিয়ে রাইজ তরুণদের থেকে জানতে চায়, শিখতে চায় এবং তাদের সাথে এগিয়ে যাওয়ায় বিশ্বাস করে।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>
করনা সম্পর্কে নতুন করে জরুরী সতর্কতা
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।
১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:
i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।
২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।
৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।
৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।
৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।
এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।
এই COVID-Omicron XBB “ওয়েভ” প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।
সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।
✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।
ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org