কতিপয় শর্ত আরোপ ॥ পদ্মা সেতুতে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বব্যাংকের সম্মতি

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ অবশেষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে তাদের ঋণচুক্তি পূনরায় নবায়ন করার কথা বলেছে। গত কয়েক মাসের নানা ঘটনা ও জল্পনার অবসান হতে চলেছে। কতিপয় শর্তে নতুন করে পদ্মা সেতু প্রকল্পে সম্পৃক্ত হতে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক।

কতিপয় শর্তে নতুন করে পদ্মা সেতু প্রকল্পে সম্পৃক্ত হতে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক। একই সঙ্গে সংস্থাটি সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে, সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ব্যাপারে কোন ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। যেকোন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে তারা। এসব শর্ত পালনে বাংলাদেশ সরকার রাজি হওয়ার পরই বৃহস্পতিবার ২০ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক সম্পৃক্ত হওয়ার ঘোষণা দেয়।

এ সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার নতুনভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসমূহ গ্রহণে সম্মত হয়েছে।

শর্ত সমূহ

# সেতুর নির্মাণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের নতুন ক্রয় ব্যবস্থায় নিবিড় পর্যবেক্ষণের সুযোগ
# সুষ্ঠু, অবাধ ও দ্রুত তদন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া
# তদন্তের কাজ পর্যালোচনা করে সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান
# একাজের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন প্যানেল গঠন

এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে

সেতুর নির্মাণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের নতুন ক্রয় ব্যবস্থায় অধিকতর ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের সুযোগ। সুষ্ঠু, অবাধ ও দ্রুত তদন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া। তদন্তের কাজ পর্যালোচনা করে সরকার ও বিশ্বব্যাংকের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন প্যানেল গঠন। এ বিষয়ে সরকারি একটি সূত্র ইত্তেফাককে জানায়, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল আগামী সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে আসছে। তারা আসার পরই ঠিক হবে কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে এগোবে। তবে একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এখন এ প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে দাতাদের খবরদারি অনেক বেড়ে যাবে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর সরকারকে কয়েকটি শর্ত দিয়েছিল বিশ্বব্যাংক।

এসব শর্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে

সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগ, যে কর্মকর্তাদের নামে অভিযোগ আছে তাদের ছুটিতে পাঠানো, ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এন্ড প্রসিকিউশনে দক্ষ ৩ সদস্যের একটি প্যানেল অব ইনভেস্টিগেটিভ এক্সপার্ট প্যানেল গঠন। এসব শর্ত পালনে সরকার তেমন গুরুত্ব না দেয়ায় ‘দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ এনে গত ২৯ জুন ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক। বাতিলের সে ঘোষণায় বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের তদন্ত শাখা এর আগে এই প্রকল্পে অর্থায়ন-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ‘দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য তথ্যাদির’ কথা বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছিল। একই সঙ্গে প্রকল্পের সঙ্গে বিশ্বব্যাংককে যুক্ত রাখতে বাংলাদেশ সরকারকে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে বলা হয়। কিন্তু সরকার সেসব শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়।

অর্থায়ন বাতিল হয়ে যাওয়ার পর সরকার এ বিষয়ে সক্রিয় হয়। বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে গত ২৩ জুলাই সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেন। ছুটিতে পাঠানো হয় সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়াকে। একইভাবে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়। এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন প্যানেল গঠনের বিষয়টিও দুর্নীতি দমন কমিশন মেনে নেয়। পরে জানা যায়, বিশ্বব্যাংকের শর্তের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার বিষয়টিও ছিল। মসিউর রহমান ছুটিতে গেছেন বলে দুই দিন আগে দেশের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বা সরকারের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে, তার ছুটিতে যাওয়ার ব্যাপারে সরকার প্রধান স্বয়ং বিশ্বব্যাংককে নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকার ঋণ কার্যকরের মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর শেষ হয়ে গেছে এবং এডিবির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর। বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে ফেরায় জাইকা ও এডিবির কাছে ঋণ চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন জানানো হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২৩ সেপ্টেম্বর অথবা ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাংকের পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফিরে আসার বিষয়ে সরকারি বিবৃতি দেয়া হবে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হবে।

সেতুর মূল কাজ শুরু আগামী বছরের অক্টোবরে

পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষঞ্জ প্যানেলের সভাপতি প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, যদি আমরা পাইল ড্রাইভিংকে সেতুর মূল কাজ শুরু হিসেবে ধরি আগামী বছরের অক্টোবরে সে কাজ শুরু হবে। অর্থাৎ এখন থেকে মূল কাজ শুরু হতে এক বছর লাগবে। আমাদের এখানে ৫ প্যাকেজ কাজ রয়েছে। এসব কাজের টেন্ডার, ঠিকাদারদের সঙ্গে চুক্তি এসব কাজ শেষ হতে ৬ থেকে ৭ মাস লাগবে। আশা করছি এপ্রিল ২০১৩ সালে এসব সারা যাবে। এরপর মোবিলাইজেশন শুরু হবে। সব মিলিয়ে অক্টোবরে কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করছি। সেতুর ব্যয় বৃদ্ধি পাবে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যয় কিছুটা বাড়বে। আগে কথা ছিল সেতুর কাজ শুরু হবে ২০১২ সালে, শেষ হবে ২০১৫ বা ২০১৬ সালে। কিন্তু এখন আমরা ২০১২ সালে কাজ শুরু করতে পারছি না। একটা বছর দেরি হয়ে গেলো। সে কারণে ব্যয় বাড়বে। তবে কতটা বাড়বে এই মুহূর্তে সেটা বলা সম্ভব নয়।

বিশ্বব্যাংকের পূর্ণ বিবৃতি

২০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে সম্পৃক্ত হওয়ার ঘোষণাটি দেয়। এ সংক্রান্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক গত ২৯ জুন পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলার আইডিএ ঋণ বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিল। এর আগে বিশ্বব্যাংকের ইনভেস্টিগেটিভ ইউনিট পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ বাংলাদেশ সরকারের কাছে পেশ করেছিল এবং এই প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট থাকার উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাংক, সরকারের উদ্যোগে বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ চিহ্নিত করেছিল যা বাংলাদেশ সরকার পূরণ করতে পারেননি। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে (ক) যে সকল সরকারি কর্মকর্তা ও সরকারি ব্যক্তিবর্গের (আমলা ও রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি দায়িত্ব থেকে তাদের ছুটি প্রদান; খ) এই অভিযোগ তদন্তের জন্য বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি বিশেষ তদন্ত দল নিয়োগ; গ) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত বিশ্বব্যাংকের নিয়োগকৃত একটি প্যানেলের কাছে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সকল তথ্যের পূর্ণ ও পর্যাপ্ত প্রবেশাধিকারে সরকারের সম্মতি প্রদান যাতে এই প্যানেল তদন্তের অগ্রগতি, ব্যাপকতা ও সুষ্ঠুতার ব্যাপারে উন্নয়ন সহযোগীদের নিদের্শনা দিতে পারে। (ঘ) বিকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থার বিষয়ে একমত হওয়া যাতে বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী দাতারা প্রকল্পের ক্রয় কর্মকাণ্ড আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পায়।

ঋণ বাতিলের পর বাংলাদেশ সরকার উপরোল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দুর্নীতির যে প্রমাণ বিশ্বব্যাংক চিহ্নিত করেছে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। বিশ্বব্যাংক মনে করে যে, প্রকল্পের দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে সন্দেহভাজন সকল সরকারি ব্যক্তিকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি দায়িত্ব থেকে ছুটি দেয়া হয়েছে এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।

এ সকল পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানানোর সময় বাংলাদেশ সরকার বিশ্বব্যাংককে পদ্মা বহুমুখী সেতুতে অর্থায়নের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করে। সরকার নতুনভাবে বাস্তবায়নের পূর্ব শর্ত হিসাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসমূহ গ্রহণে সম্মত হয়েছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে

সেতুর নির্মাণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের নতুন ক্রয় ব্যবস্থায় অধিকতর ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের সুযোগ; সুষ্ঠু, অবাধ ও দ্রুত তদন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া; এবং তদন্ত পর্যালোচনা করে সরকার ও বিশ্ব ব্যাংকের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য একটি স্বাধীন এক্সটারনাল প্যানেল গঠন।

সরকারের সম্মত ব্যবস্থাগুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়ন এবং বিশ্বব্যাংকের গভর্নিং বডির সহায়তায়, বিশ্বব্যাংক পদ্মা বহুমুখী সেতুতে নতুন করে সম্পৃক্ত হতে রাজি হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে যে কোন ধরনের দুর্নীতির ব্যাপারে কোন ছাড় দেবে না এবং যে কোন অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থানের কখনও পরিবর্তন হবে না। যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে পদ্মা সেতু বাংলাদেশের জনগণের জন্য অপার সম্ভাবনা ও সুপরিবর্তন আনবে। সরকারি অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার, প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং একটি আধুনিক ও উন্নতমানের সেতু যা দেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে- এটি বাংলাদেশের জনগণের অধিকার ও প্রাপ্য।

বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলার বিনিয়োগের জন্য গত বছর এপ্রিলে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করে। এই সেতু নির্মাণে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৯০ কোটি ডলার বা সমপরিমাণ ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক সর্বোচ্চ ১৫০ কোটি ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা মোট ব্যয়ের প্রায় ৫২ শতাংশ। এর মধ্যে ১২০ কোটি ডলার ঋণের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রয়োজনে আরও ৩০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক এমনটাই কথা রয়েছে। বিশ্বব্যাংক ছাড়াও সেতু প্রকল্প বাস্তবায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ৬১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, জাপান ৪০ কোটি ডলার, ইসলামিক ডেভলপমেন্ট ব্যাংক বা আইডিবির ১৪ কোটি ডলার দেয়ার কথা রয়েছে।

স্বাগত জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এ সিদ্ধান্তে সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের অনিশ্চয়তা কাটতে শুরু করেছে। মন্ত্রী গতকাল সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সোনতলা সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। তিনি বলেন, দু’পক্ষের মধ্যে কিছু পদ্ধতিগত ও প্রক্রিয়াগত কাজ করতে হবে। এজন্য কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন হবে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকারের মেয়াদকালের অবশিষ্ট সময়ের মধ্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করতে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুতি হতে সরে আসার কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমরা দেশের জন্য- দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এজন্য যা যা প্রয়োজন তা করা হবে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...