The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

শিশুদের নিজের মতো খেলতে দেওয়াই তাদের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ পিতামাতারা প্রায়ই তাদের সন্তানদের মানসিক বিকাশের জন্য এটা দিয়ে খেল, ওটা দিয়ে খেল বলে থাকেন। তারা চান যে, খেলতে খেলতে শিখুক। একটু অন্য দৃষ্টিতে দেখলে বুঝতে পারবেন এটাও এক ধরনের চাপিয়ে দেওয়া। গবেষকরা বলছেন, শিশুদের তাদের নিজের মতো খেলতে দিন, তাদের নিজেদের নতুন দৃষ্টিতে তাদের পৃথিবীটা দেখতে দিন। তবেই তাদের সঠিক মানসিক বিকাশ ঘটবে।


article-2724205-19E6322300000578-349_634x477

গবেষকরা বলছেন আপনি যদি আপনার শিশুর সঠিক মানসিক বিকাশ চান তবে তার নিজের মতো খেলতে দিন, তাকে তার নিজের মতো করে জগতটাকে চিনতে দিন। কেননা শিশুদের মানসিক বিকাশ একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিষয়। এখানে চাপিয়ে দেওয়ার ফলাফল ভালো হবে না। শিশুদের মানসিক বিকাশ নিয়ে কাজ করছেন এমন একদল মনোবিজ্ঞানী একটি জরিপ করেন। তারা এই জরিপের জন্য পিতামাতাদের দুইভাগে ভাগ করেন। একদল পিতামাতা শিশুদের তাদের ছোট্ট জগতেও চাপ প্রদান করেন। তারা এটা দিয়ে খেল, ওটা দিয়ে খেল এইভাবে নানা বিষয় তাদের উপর চাপিয়ে দেন। আরেকদল পিতামাতা তাদের শিশু সন্তানদের যেমন ইচ্ছা তেমন খেলতেই বিশ্বাসী। জরিপের ফলাফল আপনাকে তাজ্জব করে দিবে এই যে, দ্বিতীয় দলের প্রায় ৬৩ শতাংশ শিশুই নতুন দক্ষতা কিংবা তাদের মানসিক গড়নের ক্ষেত্রে প্রথম দল থেকে এগিয়ে। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিষয়ের সিনিয়র লেকচারার ডঃ হোয়াইটব্রেড বলেন, শিশুদের একাকী কোন কিছু জানার ক্ষেত্রে বাঁধা দিলে তা ভালো ফলাফল নাও আনতে পারে। ভবিষ্যতে এটি শিশুটির কোন কিছু জানার ক্ষেত্রে অনাগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে।

A1TTET

এই গবেষণাটি কাজে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিলেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়। এই জরিপ কাজে অংশ নেন প্রায় ১১০০ পিতামাতা যাদের শিশু সন্তানদের বয়স বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিন বছর। এই পিতামাতাদের প্রায় ৭৩ শতাংশই শিশুদের শেখার ক্ষেত্রে চাপিয়ে দেন। এই গবেষণা কাজে সরাসরি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিলেন শিশুদের যত্ন নেওয়ার ওয়েবসাইট মেড ফর মামস। এই জরিপ কাজে অংশ নেওয়া পরিবারের শিশুদের সাথে গবেষকরা গড়ে ৫.৪ ঘন্টা করে সময় কাটান। তাদের পিতামাতাদের সাথে ২.৩ ঘন্টা হারে সময় কাটানো হয় যে, তারা শিশুদের সাথে কিভাবে আচরণ করেন তা দেখার জন্য। এভাবে প্রাপ্ত ফল থেকে জানা যায় যে, শিশুদের চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে একাকী শিখতে দেওয়াই বেশি কার্যকর।

তথ্যসূত্রঃ ডেইলিমেইল

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...