The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সবুজ চোখের যে বাংলাদেশী মেয়েটি মুগ্ধ করেছে সারা পৃথিবীকে

ফটোগ্রাফার ডেভিড লেজার

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ ডেভিড লেজার অস্ট্রেলিয়ার একজন বিখ্যাত ফটোগ্রাফার। সাম্প্রতিক তার একটি ছবি আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিন ফটোরিভিউর কভার ফটো হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। কভার ফটোটির ছবিটি একজন সবুজনয়না মেয়ের ছবি। আর সেই মেয়েটি বাংলাদেশি। তবে চলুন সেই গল্প শোনা যাক।

ফটোরিভিউ ম্যাগাজিনের সেই ছবি
ফটোরিভিউ ম্যাগাজিনের সেই ছবি

সাদামাটা কিন্তু অসাধারণ সবুজনয়না মেয়েটির নাম তুলি। তুলি অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে থাকে রাজশাহীর পুঠিয়ায়। তুলি আর দুলি দুই বোন, তুলির বড় বোন দুলি রাজশাহীত্র একটি কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়েন। এবার জানা যাক ডেভিড লেজাররের কথা। ডেভিড লেজারের ছবি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে শুরু করে ক্যামেরা ওয়ার্ল্ডসহ আরো অনেক আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফিফ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কাজ করেছেন দক্ষিণ আমেরিকার রেইন ফরেস্ট থেকে শুরু করে আফ্রিকার গহিন অরণ্যে। সেই ছুটোছুটির সুবাদে ২০১২ সালে এসেছিলেন বাংলাদেশে। চষে বেড়িয়েছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট আর রাজশাহী।

তুলির বর্তমান ছবি
তুলির বর্তমান ছবি

রাজশাহীর পুঠিয়ার একটি গ্রামে একদিন ছবি তোলার পর শেষ বিকেলের দিকে একটি উচু ঢিবিতে বসে চারপাশ দেখছিলেন। এমন সময় কিছু শিশু তাকে ঘিরে ধরে তিনি তাদের সাথে কথা বলেন তারপর তাদের সাথে ফুটবল খেলতে মাঠে নামেন। খেলার মাঝে একটি বাড়ির চৌকাঠে তুলিকে বসে থাকতে দেখেন। জহুরীর চোখ রত্ন চিনে এই কথার মতো তিনি তুলিকে দেখেই বুঝতে পারেন তিনি তার ফটোগ্রাফির সেরা সাবজেক্টটি খুজে পেয়েছেন। তারপর তিনি তুলির সাথে পরিচিত হন এবং তাকে তার ছবির সাবজেক্ট হতে অনুরোধ করেন। তুলি তার অনুরোধে সাড়া দিয়ে তাকে পরদিন তাদের বাড়িতে দেখা করতে বলেন। ডেভিড লেজার পরদিন তুলির বাড়িতে যান। সেখানেই তুলির এই অসাধারণ ছবিগুলো তোলা হয়। আর আজকের পৃথিবীতে তার সেই অসাধারণ ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়েছে ফটোরিভিউ নামক সাময়িকীর মাধ্যমে।

ফটোগ্রাফার ডেভিড লেজার
ফটোগ্রাফার ডেভিড লেজার

ডেভিড লেজার বাংলাদেশে ছিলেন কয়েক সপ্তাহ। তিনি বাংলাদেশ ছাড়াও গিয়েছেন মিয়ানমার, ভারত, নেপাল, মধ্যপ্রাচ্যসহ আরো অনেক দেশ। উল্লেখ্য যে, ডেভিড লেজারের জন্ম অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে। তিনি ট্রাভেল ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, ক্যামেরা ওয়ার্ল্ড, ডেইলি মেইল এবং ডেইলি মিরর।

তথ্যসূত্র ও ছবি কৃতজ্ঞতায়ঃ প্রথম আলো

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...