The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

মাইকেল জ্যাকসনের সেই ছোট্ট মেয়েটি এখন অনেক বড়!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ছবিটি দেখে যে কেও বুঝতে পারছেন এটি বিশ্বখ্যাত পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসনের সেই ছোট্ট মেয়েটি। তবে এই ছোট্ট মেয়েটি এখন অনেক বড়।

michael-jacksons-and-daughter

প্যারিস মাইকেল ক্যাথরিন জ্যাকসন। ছোটবেলা থেকেই তাই লাইম লাইটের আলোয় বড় হয়ে ওঠা তার। মাইকেল জ্যাকসনের একমাত্র মেয়ে হলেন প্যারিস মাইকেল ক্যাথরিন জ্যাকসন। তবে তিনি আর এখন বাবার কোলের সেই ছোট্টটি নন, অষ্টাদশী যুবতী। ১৯৯৮ সালের ৩ এপ্রিল ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলসে জন্ম প্যারিসের।

প্যারিসের মা ডেবি রো-এর সঙ্গে মাইকেল জ্যাকসনের যখন বিবাহহিচ্ছেদ ঘটে, তখন প্যারিসের বয়স ছিল মাত্র ১ বছর। বাবা-মায়ের ডিভোর্স হওয়ার পর বাবার কাছেই থাকতেন প্যারিস।

michael-jacksons-and-daughter-2

মাইকেল জ্যাকসনের আদরের মেয়ে ছিলেন প্যারিস। মাইকেল জোসেফ প্রিন্স জ্যাকসন ও ব্ল্যাঙ্কেট জ্যাকসন নামে দুই ভাই রয়েছে প্যারিসের।

২০০৯ সালে বাবা মাইকেল জ্যাকসন যখন মারা যান প্যারিসের বয়স ছিল তখন মাত্র ১১ বছর। বাবার মৃত্যুর পর জ্যাকসনের উইল অনুযায়ী তাদের দেখাশোনার ভার পান ঠাকুমা ক্যাথেরিন জ্যাকসন।

ছোটবেলায় যখন বাবার সঙ্গে প্রকাশ্যে আসতেন, তখন সবসময়ই প্যারিসের মুখ মাস্কে ঢাকা থাকতো।

michael-jacksons-and-daughter-3

প্যারিসের মা রোই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, প্যারিস ও তার দাদা প্রিন্স যখন ছোট ছিল, ঠিক তখন নাকি কিডন্যাপারদের নিকট হতে থ্রেট-কল পেতেন। আর সেই ভয়েই সন্তানদের মুখ ঢেকে বাইরে বের হওয়া সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

বাবা মাইকেল জ্যাকসনের সঙ্গে দুর্দান্ত বন্ডিং ছিল প্যারিসের। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন যে, ‌‌আমার বাবার মতো ভালো কাওকে আমি আর কখনও দেখিনি। কেও ভাবতেও পারবে না বাবাকে আমি কতোটা ভালোবাসি।’

প্যারিস জ্যাকসন ক্যালিফোর্নিয়ার ব্রুকলি স্কুলে পড়াশুনা করেছেন। বাবার মৃত্যুর পর হতেই ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেন তিনি। সেই সময় বাবা মাইকেল জ্যাকসনের উপর বেশ কিছু টিভি শো-তেও অংশ নেন প্যারিস জ্যাকসন। বাবা মাইকেল জ্যাকসনের উপর বেশ কিছু টিভি সিরিজ ও ডকুমেন্টারি তৈরি করেছেন প্যারিস।

michael-jacksons-and-daughter-4

২০১৩ সালের কথা। মাত্র ১৫ বছর বয়সে ঘুমের ওষুধ খেয়ে এবং হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন প্যারিস জ্যাকসন। যদিও সেবার তিনি বেঁচে যান। বাবার মৃত্যুর পর গভীর অবসাদে ভুগছিলেন প্যারিস। অবসাদ থেকেই এমন কাজ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়।

নিজের জন্মদিন পালন করেন না প্যারিস জ্যাকসন। এর কারণ হলো, বাবার সঙ্গে কাটানো তাঁর জন্মদিনের স্মৃতিগুলো তাঁর কাছে খুবই দামী। আর সেই স্মৃতি হতে বেরোতে চান না প্যারিস জ্যাকসন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx