স্টিফেন হকিংএর পিএইচডি থিসিস অনলাইনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে!

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর নাম শুনলে অনেকের মধ্যেই যেনো এক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংএর পিএইচডি থিসিস অনলাইনে প্রকাশের পর সেটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে! মাত্র কয়েক দিনে তা দেখেছেন ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষ।

বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং এর নাম শুনলে অনেকের মধ্যেই যেনো এক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কারণ তিনি তাঁর গবেষণালব্ধ নানা তথ্য উপাত্ত বিশ্ববাসীকে নাড়া দেয়। সে কারণে তাঁর কোনো লেখা বের হলে সেটি পড়ার আগ্রহ জন্মে সকলের মধ্যেই। এই ক্ষেত্রেও ঘটেছে ঠিক তেমনই। তাঁর লেখা পিএইচডি থিসিস অনলাইনে প্রকাশ করার পর মাত্র কয়েক দিনে সেটি দেখেছেন ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষ । খবরে বলা হয়েছে, কোনো গবেষণাপত্র নিয়ে এতো লোকের আগ্রহী হয়ে ওঠা ইতিপূর্বে আর কখনই দেখা যায়নি।

ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে অধ্যাপক হকিং-এর ১৯৬৬ সালে পিএইচডি থিসিস প্রকাশ করা হয় গত সোমবার। প্রথম দিনেই এতো লোক এটি পড়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ার কারণে ওয়েবসাইটটি ক্র্যাশ করে।

ক্যাম্ব্রিজের একজন অধ্যাপক ড. আর্থার স্মিথ বলেছেন, ‘এটি একটি বিরাট ব্যাপার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় যতো গবেষণাপত্র রয়েছে তার কোনোটিই এতো লোক দেখেননি। হয়তো পৃথিবীর কোথাও এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।’

পৃথিবীর নানা প্রান্ত হতে মানুষরা এটি দেখেছেন। অন্তত ৫ লক্ষ মানুষ এটি ডাউনলোড করার চেষ্টাও করেছেন। ‘সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের বৈশিষ্ট্য’ নামে ১৩৪ পাতার এই থিসিসটি লেখার সময় স্টিফেন হকিং ছিলেন ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি হলের পোস্ট গ্রাজুয়েটের ছাত্র। তার বয়স তখন ছিল মাত্র ২৪ বছর।
স্টিফেন হকিং-এর লেখা বই ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম’ ১৯৮৮ সালের বের হওয়ার পর তা এক কোটি কপিরও বেশি বিক্রি হয়।

উল্লেখ্য, স্টিফেন হকিং ১৯৬৩ সালে মোটর নিউরন ডিজিজ নামে এক রোগে আক্রান্ত হন। তখন চিকিৎসকরা বলেছিলেন যে তিনি আর মাত্র দু’ বছর বাঁচবেন। ওই রোগের কারণে স্টিফেন হকিং এখন হুইলচেয়ারে চলাফেরা করেন ও কম্পিউটারের সাহায্যে কথা বলেন। তার বয়স বর্তমানে ৮৪।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...