The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সমুদ্রের নিচে ইন্টারনেট কেবল সম্প্রসারণে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের অধিকাংশ আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট যোগাযোগ সমুদ্রের নিচে স্থাপিত ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বর্তমানে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন নতুন সাবমেরিন কেবল স্থাপনে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে।

সমুদ্রের নিচে ইন্টারনেট কেবল সম্প্রসারণে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা 1

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং ডেটা ট্রাফিক বৃদ্ধির কারণে বিদ্যমান নেটওয়ার্কের ওপর চাপ বাড়ছে। ভিডিও স্ট্রিমিং, ক্লাউড সেবা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির কারণে আন্তর্জাতিক ডেটা আদান-প্রদানের পরিমাণ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

নতুন সাবমেরিন কেবলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি গতিতে তথ্য পরিবহন করতে সক্ষম। যে কারণে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যোগাযোগ দ্রুততর হবে এবং ইন্টারনেটের নির্ভরযোগ্যতা বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হলে অনেক সময় পুরো অঞ্চলের ইন্টারনেট সেবায় সমস্যা দেখা দেয়। তাই বিকল্প সংযোগ তৈরি করাও জরুরি। নতুন কেবল প্রকল্পগুলো সেই লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে।

আফ্রিকা, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন কেবল স্থাপনের ফলে ডিজিটাল অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোও এর সুবিধা পাবে।

এই অবকাঠামো শুধু ইন্টারনেট নয়, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, আর্থিক লেনদেন এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সাবমেরিন কেবল খাতকে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির মেরুদণ্ড বলা হয়।

আগামী বছরগুলোতে বৈশ্বিক ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ আরও বাড়বে। যে কারণে সমুদ্রের নিচের কেবল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রযুক্তি খাতের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ ক্ষেত্র হিসেবেই বিবেচিত হবে।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali