The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বন্যার্ত মানুষের পাশে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের ‘Flood Relief 2026’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া-বাঁশখালী এলাকার অসংখ্য পরিবার যখন ঘরবাড়ি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবন হারিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছিল, তখন মানবতার আহ্বানে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব।



বন্যার্ত মানুষের পাশে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের ‘Flood Relief 2026’ 1

১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রামের সাতকানিয়া-বাঁশখালী অঞ্চলে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ‘Flood Relief 2026’ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করে।



এই উদ্যোগের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, যেসব পরিবারের বসতঘর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ২১০টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণে প্রয়োজনীয় রুফিং শিট প্রদান করা হয়, যাতে তারা নতুন করে নিজেদের আশ্রয় গড়ে তুলতে পারে।



এই কার্যক্রম শুধু ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি ছিল মানবিক সহমর্মিতা, দায়বদ্ধতা এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার এক বাস্তব উদাহরণ। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনার ক্ষুদ্র এই প্রচেষ্টা আমাদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে যে, সংকটের সময় সম্মিলিত উদ্যোগই মানুষের জীবনে আশার আলো হয়ে উঠতে পারে।



নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানায় সকল স্বেচ্ছাসেবক, শুভাকাঙ্ক্ষী, দাতা, সহযোগী এবং সমর্থকদের, যাদের মূল্যবান অবদান ও অক্লান্ত সহযোগিতা ছাড়া এই মানবিক উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না।



মানবতার সেবায় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব ভবিষ্যতেও সমাজের প্রয়োজনে একই নিষ্ঠা ও অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করে যাবে। কারণ, প্রতিটি দুর্যোগের পর মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের দায়িত্ব।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

Loading...
bn_BDBengali