The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পিছিয়ে যাচ্ছে ব্রেক্সিট: আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিলেন বরিস

এ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন একটি ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেন বরিস জনসন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ব্রিটিশ রাজনীততে ব্রেক্সিট নিয়ে আপাতত অচলাবস্থার অবসান হচ্ছে না বলেই মনে হচ্ছে। অচলাবস্থা নিরসনে তাই কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ১২ ডিসেম্বর আগাম নির্বাচনের কথা বলেছেন।

পিছিয়ে যাচ্ছে ব্রেক্সিট: আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিলেন বরিস 1

ব্রিটিশ রাজনীততে ব্রেক্সিট নিয়ে আপাতত অচলাবস্থার অবসান হচ্ছে না বলেই মনে হচ্ছে। অচলাবস্থা নিরসনে তাই কট্টর ব্রেক্সিটপন্থী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ১২ ডিসেম্বর আগাম নির্বাচনের কথা বলেছেন। অপরদিকে ব্রেক্সিট কার্যকরের সময় পেছানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন।

এ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন একটি ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছেন বরিস জনসন। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চুক্তিটি পাসই হয়নি। যে কারণে গত মাসে পাস হওয়া এক আইনে বাধ্য হয়ে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া পেছানোর জন্য অনুরোধ করে ইইউ-র কাছে চিঠি লিখেছেন তিনি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতেই স্থানীয় সময় গত শুক্রবার ব্রাসেলসে বৈঠকে বসেছে ইইউ। অপরদিকে নিজের সম্পাদিত চুক্তি পাস করাতে ব্যর্থ হওয়ার পর আগাম নির্বাচনের ডাক দিলেন বরিস জনসন। আগামী সোমবার তার আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব নিয়ে পার্লামেন্টে ভোট হওয়ারও কথা রয়েছে।

বিবিসি কে বরিস জনসন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৩১ অক্টোবরে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়াবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। যদিও তিনি মোটেও সময় বাড়ানোর পক্ষপাতি নন। এমপিরা এই নির্বাচন মেনে নিলেই কেবল তাদেরকে ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্কের জন্য সময় দেবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

আগাম নির্বাচন নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিনকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বরিস জনসন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন যে, পার্লামেন্টকে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের জন্য তিনি আরও সময় দেবেন তবে এমপিদেরকে এর জন্য ডিসেম্বরের আগাম নির্বাচনকে সমর্থনও দিতে হবে।

লেবার পার্টির বক্তব্য হলো, তারা নির্বাচনে সমর্থন দেবেন তখনই যখন জনসনের চুক্তিহীন ব্রেক্সিট করার ঝুঁকিটা মোটেও থাকবে না। এর আগের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার সম্পাদিত ব্রেক্সিট চুক্তি ৩ বার পার্লামেন্টে পাস করাতে ব্যর্থ হলে যেভাবে হোক ব্রেক্সিট কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী হন।

উল্লেখ্য যে, যুক্তরাজ্যে ২০১১ সালের ‘ফিক্সড-টার্ম পার্লামেন্ট অ্যাক্ট’ এর অধীনে নির্বাচন হওয়ার পূর্বে দুই-তৃতীয়াংশ এমপিকে অবশ্যই নির্বাচনের পক্ষেই ভোট দিতে হবে। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে চুক্তি পাসে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী আগাম নির্বাচনের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ এমপির সমর্থন পাবেন কিনা তাই এখন সেটিই বিবেচ্য বিষয়।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...