The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বরিস জনসনের পূর্বপুরুষ ছিলেন তুর্কি মুসলমান!

বরিস জনসনের শিকড় রয়েছে নাকি তুরস্কে। তার প্র-পিতামহ অর্থাৎ তার দাদার বাবার নাম আলী কামাল। তিনি ছিলেন তুর্কি মুসলমান!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ব্রিটেনের অত্যন্ত চমকপ্রদ এবং সুপরিচিত একজন ব্যক্তিত্ব হলেন বরিস জনসন। যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সময় বিকালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।

বরিস জনসনের পূর্বপুরুষ ছিলেন তুর্কি মুসলমান! 1

ব্রিটেনের অত্যন্ত চমকপ্রদ এবং সুপরিচিত একজন ব্যক্তিত্ব হলেন বরিস জনসন। যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সময় বিকালে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।

বরিস জনসন একসময় যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। একইসঙ্গে লন্ডনের মেয়রও ছিলেন তিনি। ঘনিষ্ঠ মিত্রদের ‘বিশ্বাসঘাতকতায়’ কয়েক বছর আগেও যার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়ে, যার উল্টোপাল্টা মন্তব্য অনেকবারই কনজারভেটিভ পার্টির নেতৃত্বকে বিব্রতও করেছে। অবশেষে সেই জনসনই হলেন প্রধানমন্ত্রী।

আলেকজান্ডার বরিস দ্য ফেফেল জনসনের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৯৬৪ সালের জুনে। চার ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় জনসনের শৈশব কেটেছে নিউইয়র্ক, লন্ডন এবং ব্রাসেলসে। তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত মার্কিন নাগরিকত্ব রেখে দিয়েছিলেন।

জনসনের মা শার্লট ফচেট ছিলেন একজন চিত্রশিল্পী। ১৯৬৩ সালে তিনি স্ট্যানলিকে বিয়ে করেন এবং তার সঙ্গেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান তিনি। পরের বছরই জন্ম হয় বরিস জনসনের। সেই সূত্রে বরিস জনসন ব্রিটেন এবং আমেরিকা উভয় নাগরিকত্ব লাভ করেন। তার পিতা স্ট্যানলি জনসন সে সময় কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি শাস্ত্রে অধ্যায়নরত ছিলেন। মায়ের দিক থেকে জনসন ব্রিটেনের রাজা দ্বিতীয় জর্জের বংশধরও।

তবে বরিস জনসনের শিকড় রয়েছে নাকি তুরস্কে। তার প্র-পিতামহ অর্থাৎ তার দাদার বাবার নাম আলী কামাল। তিনি ছিলেন তুর্কি মুসলমান।

বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে আলী কামাল প্রথমে একজন সাংবাদিক ছিলেন। পরে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। অটোম্যান (ওসমানীয়) খেলাফতের শেষের দিকে খুব কম সময়ের জন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন। ১৯২০ এর দশকে আলী কামাল নাকি গণপিটুনিতে নিহত হন।

বাবার সূত্রে তার বংশের ইতিহাস জানতে, স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে বরিস জনসন একবার তুরস্কে গিয়ে বেশ কিছুদিন সেখানে ছিলেন।

তার মুসলিম হেরিটেজের এই কথা মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে বলেন বরিস জনসন। তবে সম্প্রতি বোরকা পরা নারীদের নিয়ে তার এক কটু মন্তব্যের পর তাকে মুসলিম বিদ্বেষী হিসাবেও অনেক গালমন্দ শুনতে হয়। তারপরও তিনি একজন বিশেষ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...