The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পৃথিবীকে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে ‘বিধ্বংসী’ গ্রহাণু

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ববাসী যখন দিশেহারা হয়ে দিক বিদিক অবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময়ই কেটে গেলো পৃথিবীর বড় এক ফাঁড়া

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অল্পের জন্য বেঁচে গেছে মানবজাতি। পৃথিবীর একেবারে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে ‘বিধ্বংসী’ গ্রহাণুটি। পৃথিবীর অনেকটা কান ঘেঁষেই বেরিয়ে গেছে বিশাল এক গ্রহাণুটি।

পৃথিবীকে পাশ কাটিয়ে চলে গেছে ‘বিধ্বংসী’ গ্রহাণু 1

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ববাসী যখন দিশেহারা হয়ে দিক বিদিক অবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময়ই কেটে গেলো পৃথিবীর বড় এক ফাঁড়া। পৃথিবীর অনেকটা কান ঘেঁষেই বেরিয়ে গেছে বিশাল একটি গ্রহাণু। প্রায় দুই কিলোমিটার চওড়া পাথরখণ্ডটি কোনোমতে পৃথিবীকে স্পর্শ করলেই গোটা মানবজাতি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারতো বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

জানা যায়, আজ (বুধবার) সকালে পৃথিবী হতে প্রায় ৬৩ লাখ কিলোমিটার (৩৯ লাখ মাইল) দূর দিয়ে চলে গেছে বিশাল এই গ্রহাণুটি। এর আকার ছিলো মাউন্ট এভারেস্টের প্রায় অর্ধেক। নিরাপদ দূরত্বে থাকার কারণে পৃথিবীতে এর কোনও রকম প্রভাব পড়েনি। তবুও গ্রহাণুটি অতিক্রমের সময় মহাকাশে সতর্ক নজর রেখেছিলেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

১৯৯৮ সালে নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি প্রথমবারের মতো গ্রহাণুটি খুঁজে পাওয়ায় এই গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয় ১৯৯৮ ওআর২। সম্প্রতি অবজারভেটরিতে ধরা পড়া এর একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়। আপাতদৃষ্টিতে গ্রহাণুটি দেখতে অনেকটা মাস্কের মতোই মনে করা হচ্ছে।

মহাকাশবিদরা জানিয়েছেন যে, ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই গ্রহাণুটিকে এমন দেখা যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে গ্রহাণুটি অসংখ্য পাহাড়-পর্বতে ভরা। সে জন্যই তার এমন চেহারা দেখা যাচ্ছে।

এই বিষয়ে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অন্তত ২০৭৯ সাল পর্যন্ত গ্রহাণুটি নিয়ে মানুষের চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ হলো এর আগে সেটি কখনও পৃথিবীর ধারেকাছে ঘেঁষবে না। তবে ২০৭৯ সালের দিকে আসলেও পৃথিবী থেকে চাঁদের প্রায় চারগুণ দূরত্ব দিয়ে চলে যাবে এই গ্রহাণুটি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...