The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনা রোগীদের জন্য নতুন গবেষণা সুখবর দেওয়া হলো

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুসে মারাত্মকভাবে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অধিকাংশ রোগীর মৃত্যু ঘটে থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সুখবর দেওয়া হয়েছে নতুন একটি গবেষণা।

করোনা রোগীদের জন্য নতুন গবেষণা সুখবর দেওয়া হলো 1

সম্প্রতি ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে, যেসব ওষুধে রক্ত পাতলা হয়ে যায় সেগুলো করোনা রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম।

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীদের ফুসফুসে মারাত্মকভাবে রক্ত জমাট বাঁধার কারণেই অধিকাংশ রোগীর মৃত্যু ঘটে থাকে। সাম্প্রতিক সময় কোভিড-১৯ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করেছেন লন্ডনের বিশেষজ্ঞরা।

এসব রোগীদের ক্ষেত্রে যদি রক্ত পাতলাকারী ওষুধ ব্যবহার করা যায় তবে করোনায় মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস জানিয়েছেন, এই বিষয়ে হাসপাতালগুলোকেও নতুন করে নির্দেশনা দেওয়া হবে। যাদের অবস্থা খুবই জটিল তাদের ক্ষেত্রে এই ধরনের ওষুধ প্রয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হবে বলেই জানানো হয়েছে।

কোভিড-১৯ ও রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন রয়্যাল ব্রুম্পটন হসপিটালের একদল বিশেষজ্ঞ।

তারা উচ্চতর প্রযুক্তির ক্যাট স্ক্যান ব্যবহার করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রোগীদের ফুসফুসের ছবি বিশ্লেষণ করেও দেখেছেন। ছবিতে দেখা গেছে যে, এসব রোগীদের ফুসফুসে রক্ত প্রবাহ দেখা গেছে অনেক কম। এমনকি ফুসফুসের ছোট ছোট অংশ রক্ত জমাট বেঁধে থাকে।

সানডে টেলিগ্রাফকে বেশ কয়েকজন চিকিৎসক জানিয়েছেন যে, এ থেকেই সহজে ব্যাখ্যা করা যায়, কিছু রোগী কেনো রক্তে অক্সিজেনের অভাবে লাঙ্গস ফেইলারে মারা যায়।

অধিকাংশ কোভিড রোগীই অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্টে মৃত্যুবরণ করে। অপরদিকে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের অধ্যাপক ওপেনসো বলেছেন যে, আমরা এর আগে অনেক ভাইরাসের ক্ষেত্রেই রক্ত জমাট বাঁধার এমন ঘটনা আর দেখিনি।

তবে রয়্যাল ব্রুম্পটনের চিকিৎসকরা বলেছেন, রক্ত পাতলাকারী ওষুধ রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যান্ত সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...