The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনা প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার

কিছু কিছু খাবার তাই আমাদের খেতে হবে।

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হতে বাঁচতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। তাই এই সময় ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং ট্রেস এলিমেন্ট গ্রহণ করা দরকার।

করোনা প্রতিরোধ করতে পারে যেসব খাবার 1

বিভিন্ন ভিটামিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই ও ভিটামিন ডি।

এই ভাইরাসটি হলো প্রোটিন যুক্ত অণুজীব, যে কারণে মানুষ জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এমনকি মারাত্মক নিউমোনিয়ায় (নতুন করে) আক্রান্তও হতে পারে।

তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন বেশি পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা দরকার।

এসব ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়বে। এছাড়াও করোনার মতো ভাইরাসও রোধ করা সম্ভব হবে।

খাদ্য এবং পুষ্টি সচেতনতা করোনা ঝুঁকিও কমাতে পারে। তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কোন খাবারে কোন ভিটামিন পাওয়া যাবে। আসুন আজ জেনে নিই কোন খাবারে কোন ভিটামিন পাওয়া যাবে। কিছু কিছু খাবার তাই আমাদের খেতে হবে।

বিটা ক্যারোটিন

এটি মূলত উজ্জ্বল রংয়ের ফল বা সবজি যেমন- গাজর, পালংশাক, আম এবং ডালে রয়েছে এই ভিটামিনটি পাওয়া যাবে। তাই এইসব খাবার খেতে হবে।

ভিটামিন এ

ভিটামিন এ রয়েছে গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, মিষ্টিকুমড়া, জাম্বুরা, কলিজা, ডিম, দুধজাতীয় খাবার ইত্যাদিতে ভিটামিন এ রয়েছে। তাই এইসব খাবার খেতে হবে।

ভিটামিন ই

ভিটামিন ই রয়েছে কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, বাদাম তেল, পেস্তাবাদাম, বিচিজাতীয় ও ভেজিটেবল অয়েল, জলপাইয়ের আচার ও সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে এই ভিটামিন ই। তাই বেশি করে এইসব খাবার খেতে হবে।

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি রয়েছে আমলকী, লেবু, সবুজ মরিচ, কমলা, করলায় পাবেন ভিটামিন সি। এইসব খাবার খেতে হবে।

অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট

গ্রিন টি, লাল চা, সজনে পাতার চা, এসব চায়ে এল-থেনিন ও ইজিসিজি নামক অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। যা আমাদের শরীরে জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনেক যৌগ তৈরি করে তা শরীরে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

তাছাড়াও ভিটামিন বি-৬, জিংক–জাতীয় খাবার যেমন- বিচিজাতীয় খাদ্য, বাদাম, সামুদ্রিক খাবার এবং দুধ শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির কোষ বৃদ্ধি করে থাকে। তাই এ ধরনের খাবার বেশি করে খেতে হবে।

আরও রয়েছে উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার যেমন- ডিম, মুরগি, গরু এবং খাসি মাংস। যেগুলো খেতে পারেন পরিমাণ মতো।

# লেখক: ডা. রিফাত আল মাজিদ- পরিচালক, সেন্টার ফর সাইকোট্রমাটোলজি অ্যান্ড রিসার্চ।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...