The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত: উপকূলে ভেসে এলো মরদেহ

রবিবার সকাল পর্যন্ত দুটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। যারমধ্যে একটিতে যাত্রীদের দেহাংশ পাওয়া গেছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ৬২ জন যাত্রী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিমানটি সাগরে বিধ্বস্ত হয়েছে। এই আশঙ্কা আগেই করেছিল কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে এই আশঙ্কা সত্যিও হলো। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমান হতে উপকূলে ভেসে এলো যাত্রীদের দেহাংশ।

ইন্দোনেশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত: উপকূলে ভেসে এলো মরদেহ 1

এমন এক অবস্থায় পাইলট, বিমানকর্মীসহ যে ৬২ জন যাত্রী নিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিলো, তাদের মধ্যে কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বলেই ধারণা করছেন উদ্ধারকারীরা।

জাকার্তা পুলিশের একজন মুখপাত্র ইয়ুসরি ইউনুস সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘রবিবার সকাল পর্যন্ত দুটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। যারমধ্যে একটিতে যাত্রীদের দেহাংশ পাওয়া গেছে। অপরটিতে তাদের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্রের টুকরা।’

থাউজ্যান্ড আইল্যান্ডস এলাকায় সাগর হতে বিমানটির ধ্বংসাবশেষের টুকরো উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এজেন্সি। তারপরই বিমানের ধ্বংসাবশেষ এবং মৃতদেহ উদ্ধারে রবিবার দুপুর থেকেই উদ্ধারকার্য শুরু করা হয়। রাতে কিছু সময়ের জন্য তা বন্ধও রাখতে হয়। আজ সকাল থেকে আবারও কাজ শুরু হয়েছে সেখানে।

উদ্ধারকার্য চালাতে এই মুহূর্তে ১০টি জাহাজ নামিয়েছে জাকার্তা প্রশাসন। তাছাড়াও নৌবাহিনীর ডুবুরিদেরও নামানো হয়। উদ্ধার হওয়া ধ্বংসাবশেষের টুকরা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

আগের দিন (শনিবার) দুপুরে জাকার্তার সোকরানো-হাত্তা বিমানবন্দর হতে পোনতিয়ানাকের উদ্দেশে রওনা দেয় শ্রীবিজয়া এয়ারলাইন্সের এসজে ১৮২ নম্বর উড়োজাহাজটি। পাইলট, সহকারী ও বিমানকর্মী মিলিয়ে এটিতে ৬২ জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে ছিল ৬ শিশুও। শিশুদের মধ্যে আবার একজন সদ্যোজাত শিশু। বিমানবন্দর হতে উড়ানের ৪ মিনিটের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কন্ট্রোল রুমের।

একটি ফ্লাইট ট্র্যাকার ওয়েবসাইট জানিয়েছে, উড়ানের পর সোজা ১০ হাজার ৯০০ ফুট উপরে উঠে যায় ওই বিমানটি। তবে মাত্র ১ মিনিটের মধ্যেই সেখান থেকে প্রায় ১০ হাজার ফুট নেমে আসে বিমানটি। ওই অবস্থায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই জানা যায় যে, জাভা সাগরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...