The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মক্কার ইমামকে আক্রমণ থেকে রক্ষাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ‘নায়ক’ উপাধি পেলেন

পুলিশ কর্মকর্তা আল-জহরানিকে একজন “নায়ক” হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে একজন ইমামের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা ব্যর্থ করায় একজন সাহসী সৌদি পুলিশ কর্মকর্তাকে “নায়ক” বলে সম্বোধন করা হয়।

মক্কার ইমামকে আক্রমণ থেকে রক্ষাকারী পুলিশ কর্মকর্তা ‘নায়ক’ উপাধি পেলেন 1

গত শুক্রবার সরাসরি টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায় যে, সৌদি আরবের অন্যতম পবিত্র মসজিদে ইমামের উপরে হামলার চেষ্টা থামানো হয়। পরে ঘটনাটি তদন্তকারী পুলিশ প্রকাশ করেছে যে, হামলাকারী ইমাম “মাহদী (মশীহের অপেক্ষায়)” বলে দাবি করেছেন।

নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-জহরানী, ইমামকে আক্রমণ করার সময় তাকে বাধা দিয়েতে সক্ষম হন। আক্রমণকারীকে অন্যান্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় মসজিদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আল-জহরানিকে একজন “নায়ক” হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে ও সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে তার এমন প্রচেষ্টার জন্য সৌদিরা তাকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

এক ব্যক্তি গ্র্যান্ড মসজিদে ওমরাহ পালন করতে (ইহরাম) সাদা কাপড় পরিহিত ছিল। লাইভ টেলিভিশনে দেখা যায় যে, যখন গ্র্যান্ড মসজিদের অন্যতম ইমাম শেখ বন্দর বলিলাহ জুমার খুতবা প্রদান করেছিলেন, ঠিক সেই সময় ওই ব্যক্তিটি হামলা করতে দৌড়িয়ে এগিয়ে আসে।

মক্কা পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, আল-জহরানির হেফাজতে রাখার পদক্ষেপের পর তাকে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা আটক করেছিলেন।

প্রকাশিত ওই ঘটনা সত্ত্বেও ইমাম শেখ বলিলাহ তার খুদবা পড়া অব্যাহত রাখেন। আল-ওয়াতান পত্রিকা অনুসারে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, ওই অপরাধী একজন ৪০ বছর বয়সী সৌদি নাগরিক।

উল্লেখ্য, এর আগেও এমন ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত মার্চ মাসে, ছুরি চালিয়ে এক ব্যক্তি চরমপন্থী স্লোগান দিয়ে নামাজরত মুসল্লিদের মাঝে হাঁটাচলা করার সময় একটি চেয়ারে আঘাত করা হয়। এই ঘটনাস্থলের মুসল্লি ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচেষ্টায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ যাবত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নিজেকে ইসলামের মুক্তিদাতা অর্থাৎ ইমাম মাহদী বলে দাবি করেন।

সৌদি আরবে সর্বাধিক হাই-প্রোফাইল ঘটনাটি ঘটে ১৯৭৯ সালে। তখন জুহায়মান আল-ওতাইবি এবং তার ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আল-কাহতানি, যিনি মাহদী হিসাবে দাবী করে কয়েকশ হাজী গ্র্যান্ড মসজিদে জিম্মি করে নিয়ে যান, যে কারণে এক সপ্তাহব্যাপী অবরোধের সৃষ্টি হয়। ওই সময় অবরোধটি ভেঙে দেওয়ার জন্য একটি পূর্ণ মাত্রার আক্রমণ শুরু হয়, যে কারণে তথাকথিত মশীহ ও তার শত শত অনুসারীর মৃত্যু হয়। জুহায়মানকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে তার অপরাধের জন্য মৃত্যুদন্ডও কার্যকর করা হয়।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...