The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পুলিশ কর্মকর্তা ওজন কমিয়ে পুরস্কার পেলেন!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মাত্র ৮ মাসে ৪৮ কেজি মেদ ঝরালেন ভারতের দিল্লির এক পুলিশ কর্মকর্তা। শুধু তাই নয়, তিনি ওজন কমিয়ে পুরস্কারও পেয়েছেন!

পুলিশ কর্মকর্তা ওজন কমিয়ে পুরস্কার পেলেন! 1

সেনা জওয়ানদের ফিটনেস যেমন অতি গুরুত্বপূর্ণ। তবে পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ওই নিয়মটি অতোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। যে কারণে দেখা যায় অনেক পুলিশ কর্মকর্তা বেশ মোটা বা স্বাস্থ্যবান। যা নিয়ে সাধারণ মানুষদের মধ্যে সমালোচনা রয়েছে সব সময়ই। কারণ মোটা হলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা চোরকে ধাওয়া করবে কীভাবে! মনে করা হয় যে, পুলিশের চাকরির বয়স ও ভুড়ি সমান্তরালভাবেই বাড়তে থাকে। এই কুৎসার ১৮০ ডিগ্রি উলটো কাণ্ড করলেন দিল্লি পুলিশের এক উচ্চ পদাধিকারী কর্মকর্তা। তাকে ওবেসিটি রোগে ধরেছিল। সেই মানুষটাই কঠোর পরিশ্রমে ৮ মাসে ৪৬ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেন। ওই পুলিশকর্তাকে পুরস্কৃত করেছেন খোদ দিল্লির পুলিশ কমিশনার।

দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদে কর্মরত জিতেন্দ্র মানি। ওবেসিটির কারণে তার ওজন বাড়তে বাড়তে ১৩০ কেজিতে পৌঁছে গিয়েছিল। শরীরে বাঁসা বেঁধেছিল উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের মতো একাধিক অসুখ। ক্রমশই ঝুঁকি বাড়ছিল। সেইসঙ্গে দুনিয়ার লোকের কটু কথাও শুনতেন জিতেন্দ্র। এই অবস্থায় ঠিক ৮ মাস আগে ঘুরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। জীবনযাত্রায় বদল আনতে প্রতিদিন ১৫০০ পা হাঁটা এবং পুষ্টিকর খাওয়া-দাওয়া শুরু করেন। এক সাক্ষাৎকারে জিতেন্দ্র বলেছেন, “উচ্চ কার্বহাইড্রেটযুক্ত ভাত-রুটি খাওয়া ছেড়ে দিয়ে আমি পুষ্টিকর স্যুপ, স্যালাড, ফল খেতে শুরু করে দিই।” এভাবেই তিনি বর্তমানে ৮৪ কেজির ফিট পুলিশ আধিকারিক হয়েছেন।

শরীরের ওজন কমিয়ে উপর মহলের প্রশংসাও পেয়েছেন জিতেন্দ্র। কিছুদিন আগে ৯০ হাজার পুলিশ কর্মীর উপস্থিতিতে একটি সভায় জিতেন্দ্র মানিকে বিশেষ প্রশংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করেন দিল্লির পুলিশ কমিশনার। তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

1 টি মন্তব্য
  1. binance বলেছেন

    Thank you for your sharing. I am worried that I lack creative ideas. It is your article that makes me full of hope. Thank you. But, I have a question, can you help me?

bn_BDBengali