The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অতিরিক্ত দুধ পান ক্যান্সারের কারণ হতে পারে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা সবাই জানি দুধ পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। দুধে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন-ডি’সহ রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অতিরিক্ত দুধ পান আবার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত দুধ পান ক্যান্সারের কারণ হতে পারে 1

সুস্বাস্থ্য, শক্তি ও শারীরিক বিকাশের জন্য সবসময় দুধের কথা বলা হয়ে থাকে। দুধে ক্যালসিয়াম থাকায় নিয়মিত দুধ পানে শরীরের হাড়গুলো শক্তিশালী হয়। তবে গবেষকরা বলেছেন, অতিরিক্ত দুধ পান একেবারেই ভালো নয়। গবেষকদের মতে, দুধকে কখনই সুপারফুড হিসেবে নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না। দুধ পান শরীরের জন্য উপকারী সেটি ঠিক, তবে অতিরিক্ত দুধ পানে অনেক অসুবিধাও রয়েছে।

এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক ক্রিস্টোফার গার্ডনার ‘ডিস্কভার ম্যাগাজিনকে’ জানিয়েছেন যে, দুগ্ধজাত খাবারে এমন কোনো বিশেষ পুষ্টি নেই যা অন্য কোনো খাবারে পাওয়া যাবে না। তবে ক্যালসিয়াম খুব সহজেই পাওয়া যায় দুগ্ধজাত খাবার থেকে। সমীক্ষা করা লুডভিগ জানিয়েছেন যে, অতিরিক্ত দুধ পানে লম্বা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাড়ের রোগের ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। দুধে যে সব পুষ্টি পাওয়া যায় তা অন্যান্য খাবার থেকেও পাওয়া যায়, তবে তা পৃথকভাবে।

আবার অনেকেরই দুধে অ্যালার্জিও থাকে, যাকে বলা হয় ‘ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সি। তারা দুগ্ধজাত খাবার হজমও করতে পারেন না। দুধ পানে তাদের পেটে ব্যথা কিংবা অন্যান্য সমস্যাও হয়। সমীক্ষা বলছে যে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ ল্যাকটোজের সমস্যায় ভুগছেন। এই ধরনের লোকদের বিশেষজ্ঞরা কমলার রস, টোফু ও সবুজ শাকসবজি খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অতিরিক্ত দুধ পানেও মারাত্মক ধরনের রোগ হতে পারে। বিশেষ করে গরুর দুধ পান করার সময় এটি খেয়াল রাখা উচিত। দুগ্ধ খাবার অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সার ও মহিলাদের এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার ক্রিম দুধে স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও সোডিয়ামও থাকে বেশি। এই দুটি উপাদানই হার্ট ও রক্তচাপের জন্য বেশ ক্ষতিকর। তাই গবেষকরা স্বল্প ফ্যাটযুক্ত দুধ পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...