দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সবুজ আবাসন নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য দেশের সর্ববৃহৎ গৃহঋণ প্রদানকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) -এর সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ডিবিএইচ ও আইএফসি বিগত কয়েক বছর ধরে সাশ্রয়ী আবাসনের প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে, সেই সফল অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় নতুন এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে আইএফসি সবুজ আবাসন কিংবা গ্রীন হাউজিং ফাইন্যান্সের ক্ষেত্রে ডিবিএইচের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে যা আগ্রহী গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করবে। ডিবিএইচের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন ও আইএফসির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ, নেপাল এবং ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার মার্টিন হোল্টম্যান চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আইএফসির সাউথ এশিয়া ম্যানেজার (এফআইজি আপস্ট্রিম এবং এডভাইসরি) মেহদি চেরকাউই, ডিবিএইচের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চীফ অপারেটিং অফিসার এ কে এম তানভীর কামালসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ডিবিএইচ সবুজ আবাসনে আগ্রহী গ্রাহককে নিজের বাড়ী নির্মাণের জন্য অথবা নির্মাণ প্রতিষ্ঠান হতে ফ্ল্যাট কেনার জন্য আরও কার্যকরভাবে অর্থায়ন করবে। প্রেস রিলিজে বলা হয় সাশ্রয়ী এবং সবুজ আবাসনের প্রসারের জন্য ডিবিএইচ যে প্রতিশ্রম্নতিবব্ধ, এই চুক্তি তারই প্রতিফলন।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org