The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মোগল রাজকন্যা থেকে একেবারে গোয়েন্দা পুলিশ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বড় পর্দায় মুক্তি পেলো ‘ছাবা’ এবং ‘আজাদ’, ওটিটিতে এসেছে ‘ডিটেকটিভ শেরদিল’। সামনে আসছে আরও নতুন কাজের ঘোষণা।

মোগল রাজকন্যা থেকে একেবারে গোয়েন্দা পুলিশ! 1

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের অভিজাত এক হোটেলে প্রথম আলোর মুম্বাই প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্যকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক ব্যস্ততা, অভিনয়ভাবনা এবং ব্যক্তিজীবনের নানা দিক জানালেন ডায়না পেন্টি।

ডায়না হাসতে হাসতে বলেন, ‘অনেকেই বলেন, আমি নাকি বেশি কাজ করি না! এবার তাদের সেই অভিযোগ হয়তো দূর করতে পেরেছি’। এরপর তিনি যোগ করলেন, ‘তবে এখানেই কিন্তু শেষ নয়। সামনে আরও কিছু কাজও আসছে। বছরের শেষ দিকে মুক্তি পাবে একটি ওয়েব সিরিজ, এটিই হবে আমার প্রথম সিরিজ। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে আমার একটি সিনেমা রয়েছে, সেটিও এ বছরেই মুক্তি পাওয়ার কথা।’

‘ছাবা’ নিয়ে গর্বিত ডায়না পেন্টি বললেন, ‘অনেক দিন ধরেই লক্ষ্মণ উতেকরের সঙ্গে আমি কাজ করতে চাইছিলাম। ছাবা’তে সেই সুযোগ হয়েছে। লক্ষ্মণ শুধু ভালো পরিচালকই নন, ভীষণ ভালো মানুষও। এই ছবিতে আমি মোগল রাজকন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছি। প্রথমবার রাজবেশে নিজেকে পর্দায় দেখে অন্য রকম ভালো লাগাও কাজ করেছে।’

ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া ‘ডিটেকটিভ শেরদিল’ ছবিতে ডায়না মূলত একজন গোয়েন্দা পুলিশ। ছবিতে তার সহশিল্পী দিলজিৎ দোসাঞ্জ, রত্না পাঠক শাহ, বোমান ইরানি এবং চাঙ্কি পান্ডে। কী কারণে তিনি এই ছবি করতে রাজি হন? এর উত্তরে বললেন, ‘এই চরিত্রটি প্রথম থেকেই আমাকে আকর্ষণ করেছিল। গল্পটা বেশ ঝরঝরে ও চমকপ্রদ। একসঙ্গে এতো অভিজ্ঞ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ, এটা হাতছাড়াও করতে চাইনি। ভালো গল্প, চরিত্র ও সহশিল্পী- এই ৩টি বিষয় আমার কাছে সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ।’

এই চরিত্রের জন্য ডায়নাকে ইশারা ভাষাও শিখতে হয়েছে। বাস্তবে তার মধ্যে কতোটা গোয়েন্দা ভাব রয়েছে, জানতে চাইলে তিনি হেসে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমি গোয়েন্দা গল্পের পোকা ছিলাম। শার্লক হোমস আমার খুবই প্রিয়। চুপচাপ বসে মানুষকে পর্যবেক্ষণ করতেই ভালোবাসি, প্রচুর প্রশ্নও করি। মাঝেমধ্যেই মনে হয়, অভিনেতার চেয়েও আমি গোয়েন্দা বেশি।’

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ‘ককটেল’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে ডায়নার পথচলা শুরু হয়। তারপর ‘হ্যাপি ভাগ জায়েগি’, ‘পরমাণু’সহ আরও কিছু সিনেমাতে কাজ করেছেন। যদিও, উল্লেখযোগ্য ছবির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। তবে পছন্দের প্রশ্নে আপস করেননি কখনই। বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, যতো বেশি কাজ করবেন, ততো নিজের নতুন দিকগুলো আপনার কাছে উন্মোচিত হবে।’ তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>

করনা সম্পর্কে নতুন করে জরুরী সতর্কতা

আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১.⁠ ⁠COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২.⁠ ⁠এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩.⁠ ⁠উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪.⁠ ⁠তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫.⁠ ⁠কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬.⁠ ⁠যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB “ওয়েভ” প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

bn_BDBengali