দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এবারই তারা সবচেয়ে তীব্র এবং বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এই তথ্য জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, রাতভর চালানো ওই হামলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু ও অঞ্চলে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এতে দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খোররামশাহরও ব্যবহার করা হয় বলে দাবি করেছে তেহরান।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, পরিকল্পিত এবং শক্তিশালী এই হামলা অব্যাহত থাকবে। এই যুদ্ধে তারা শত্রুর সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ ছাড়া অন্য কিছুই ভাবছে না। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে- যখন তাদের দেশের ওপর হতে যুদ্ধের হুমকি পুরোপুরি দূর হবে।
এদিকে গতকাল (মঙ্গলবার) পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, শত্রুকে সম্পূর্ণ এবং চূড়ান্তভাবে পরাজিত না করা পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভিযান চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন যে, এই পদক্ষেপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
অপরদিকে আজ (বুধবার) সকালে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায় যে, ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সতর্কতার পরই সাইরেন বাজানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর আসেনি।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
Menurut saya bocoran hongkong di halaman ini cukup menarik.
Menurut saya situs slot online ini paling terpercaya