দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ডেটা সেন্টার আধুনিক প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। ক্লাউড কম্পিউটিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআই সেবার জন্য বিপুল সংখ্যক ডেটা সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। তবে এসব কেন্দ্র প্রচুর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যা পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলে।

এই সমস্যা মোকাবিলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবুজ বা পরিবেশবান্ধব ডেটা সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ বাড়ছে। নতুন প্রজন্মের ডেটা সেন্টারগুলোতে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি এবং উন্নত কুলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে আগামী বছরগুলোতে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা আরও বাড়বে। তাই শক্তি সাশ্রয়ী অবকাঠামো নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন ধরনের কুলিং ব্যবস্থা ডেটা সেন্টারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কিছু প্রতিষ্ঠান পানিভিত্তিক কুলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় বেশি কার্যকর।
পরিবেশবিদরা বলেছেন, প্রযুক্তি খাতের কার্বন নিঃসরণ কমাতে সবুজ ডেটা সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও কমে আসবে।
বহু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ হওয়ার লক্ষ্য ঘোষণা করেছে। সেই লক্ষ্য পূরণে পরিবেশবান্ধব ডেটা সেন্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডিজিটাল সেবার চাহিদা বাড়লেও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। তাই সবুজ ডেটা সেন্টার প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
Very well presented. Every quote was awesome and thanks for sharing the content. Keep sharing and keep motivating others.
I truly appreciate your technique of writing a blog. I added it to my bookmark site list and will