দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সরাসরি সম্প্রচারে রেকর্ড-গড়া সাফল্য অর্জন করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফি।

এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার ২০২৬-২৭ মৌসুমের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল)-এর সবগুলো ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে প্ল্যাটফর্মটি। যে কারণে টফি গ্রাহকরা ফুল এইচডিতে ইপিএলের সব ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করবেন।
বিশ্বকাপের পর আবারও প্রিয় খেলোয়াড়দের মাঠে দেখতে অপেক্ষায় রয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। তাদের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ৩৫তম মৌসুম। ৩৮ সপ্তাহজুড়ে চলা এ টুর্নামেন্টের ৩৮০টি ম্যাচই এবার টফিতে সরাসরি দেখার সুযোগ পাবেন দর্শকরা।
টফি গ্রাহকরা পুরো টুর্নামেন্ট দেখার পাস কিনতে পারবেন ৬৪৯ টাকায়। ১০ মাস মেয়াদের এই প্যাকের মাধ্যমে ৩৮০টি ম্যাচই ফুল এইচডিতে দেখা যাবে। একই সঙ্গে থাকছে একটি প্যাক দিয়ে ৩টি ডিভাইসে ম্যাচ দেখার সুবিধা। এছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে মাত্র ৯৯ টাকায় ৩০ দিনের ‘শর্ট ইপিএল পাস’। এই প্যাকের মাধ্যমেও ফুল এইচডিতে ম্যাচ উপভোগ করা যাবে তিনটি ডিভাইসে।
ইপিএলের পাশাপাশি টফিতে থাকা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, বুন্দেসলিগা এবং এফএ কাপের বিভিন্ন ম্যাচ সরাসরি দেখতে পারবেন দর্শকরা। এইসব ম্যাচ ও অন্যান্য নতুন কনটেন্টের আপডেট পেতে চোখ রাখতে হবে টফি অ্যাপে।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে টফির প্রধান মোদাসসের আহমেদ বলেন, “ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ টফির জন্য একটি স্মরনীয় অধ্যায়। লাখো ফুটবলপ্রেমী বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচ দেখতে আমাদের প্ল্যাটফর্ম বেছে নিয়েছেন। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য প্রিমিয়ার লিগের আরেকটি মৌসুম নিয়ে আসতে পেরে আমরা আনন্দিত। দর্শকদের আবারো স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যকে মাথায় রেখে এবারের ইপিএল মৌসুমটিও টফির দর্শকদের জন্য স্মরণীয় করে তুলতে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।“
টফি অ্যাপ কিংবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ইপিএল প্যাক কিনতে পারবেন দর্শকেরা। পাশাপাশি, টফির সমৃদ্ধ কনটেন্ট লাইব্রেরিতে থাকা সিনেমা, নাটক, বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট এবং লাইভ খেলা দেখার সুযোগ পাবেন।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org