দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অক্টোবরে বড়পর্দায় আসছে রায়হান রাফীর তারকাবহুল হরর সিনেমা ‘আন্ধার’। আর এই খবরে মুখিয়ে আছে দর্শকরা।

রায়হান রাফীর বহুল আলোচিত হরর সিনেমা ‘আন্ধার’ নিয়ে দর্শকের আগ্রহ যেনো দিনকে দিন বাড়ছেই। একের পর এক চরিত্র উন্মোচনের পর এবার প্রকাশ্যে উঠে এলো সিনেমাটির প্রথম অফিসিয়াল পোস্টার।
গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় নির্মাতা রায়হান রাফী, চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদসহ সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ শিল্পীরা একযোগে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পোস্টারটি প্রকাশ করেন।
প্রথম পোস্টারেই রহস্যময় আবহে দর্শকদের সামনে হাজির হয় ‘আন্ধার’-এর জগত। পোস্টারে দেখা যায় যে, ঘন কালো মেঘ ও কুয়াশায় ঢাকা এক অদ্ভুত পরিবেশ। যার মাঝখানে একটি উঁচু কালো স্থাপনার ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন ৫ চরিত্র। তাদের প্রত্যেকের পরনেই রয়েছে সাদা পোশাক।
পোস্টারের একেবারে কেন্দ্রেই রয়েছেন নাজিফা তুষি। সাদা পোশাকে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় উঁচু একটি স্থাপনার ওপর। তার পেছনে আকাশজুড়ে তৈরি হয়েছে এক রহস্যময় আলোর বলয়, যা পুরো পোস্টারেই এনে দিয়েছে অস্বাভাবিক এবং ভৌতিক আবহ!
আর তুষির দুই পাশে রয়েছেন সিয়াম আহমেদ এবং চঞ্চল চৌধুরী। তাদের পাশাপাশি দেখা যাচ্ছে আরও দুই চরিত্রকেও। ৫ জনের পোশাক একই রকম সাদা হলেও তাদের অভিব্যক্তি এবং দাঁড়িয়ে থাকার ভঙ্গিতে রয়েছে যেনো ভিন্নতা। যে কারণে পোস্টারটি শুধু চরিত্র পরিচয় নয়, সিনেমার গল্প নিয়েও সৃষ্টি করেছে নানা প্রশ্ন।
২২১বি ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমাটিতে সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী এবং নাজিফা তুষির পাশাপাশি আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার, ফারুক রেহানসহ আরও অনেকেই। এই সিনেমাটিতে গল্পের সঙ্গে শাকিব চৌধুরী, বসবাবা সুমন ও আদনান আদিব খানের নামও রয়েছে।
যে কারণে বড় বাজেটের হরর সিনেমা হিসেবে আলোচিত ‘আন্ধার’ নিয়ে শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org