The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সিনেমাতে আর গাইতে নাও পারেন ইমন!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ খুব শীঘ্রই দ্বিতীয়বারের মত শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালকের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার গ্রহণ করতে যাচ্ছেন গুণী সুরকার ও সংগীত পরিচালক ইমন চৌধুরী।

সিনেমাতে আর গাইতে নাও পারেন ইমন! 1

হাওয়া, পরাণ, কাজল রেখা, সুড়ঙ্গ, রইদসহ আরও অনেক সিনেমায় তার সৃষ্টি করা গান সব শ্রেণীর শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছিল।

অথচ এই গুণী সংগীত পরিচালক দুই বছর আগে সিনেমায় গান করা নিয়ে নতুন এক সিদ্ধান্তও নিয়েছেন। এখন থেকে দুই বছরে হয়তো একটি গান তিনি করবেন বা সারাজীবনে আর কোনো গানই করবেন না; যদি সেই গানের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবকিছু তার মনের মত না হয়।

ইমন চৌধুরীর এই সিদ্ধান্তের পেছনে ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া শাকিব খান অভিনীত ‘রাজকুমার’ সিনেমার ‘আমি একাই রাজকুমার’ গানটিই দায়ী। সেই সময় বেশ সমালোচিত হওয়া এই গানটি সম্পর্কে দুই বছর পর মুখ খুললেন ইমন চৌধুরী।

তিনি আরও বলেন, অডিওতে গানটি শুনলে অত খারাপ হয়তো কারো লাগবে না, তবে দিন শেষে নির্মাতাদের তাড়াহুড়োর কারণেই হোক কিংবা যে কোনো কারণেই হোক গানের চিত্রায়ণ ভালো হয়নি। গানের সঙ্গে নায়কের লিপ সিংকও হয়নি; যে কারণে এই গানের সঙ্গে সম্পৃক্ত আমরা সবাই সমালোচনার মুখে পড়েছিলাম। এই ঘটনা থেকেই আমি উপলব্ধি করি যে, আমার এভাবে সিনেমার গানে যুক্ত হবার প্রক্রিয়াটা মোটেও ঠিক নয়। আমাকে সবকিছু গবেষণা করে এবং সময় নিয়ে গান করতে হবে। কখনই খারাপ কোনো গানের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যাবে না। প্রয়োজনে জীবনে আর কখনও সিনেমার গান করবো না।

ইমন চৌধুরী তার এই বোধোদয়ের কথা অকপটে শেয়ার করেন এই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-এ। শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন এবং রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হয় এই বিশেষ এই পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে ইমন চৌধুরী জানিয়েছেন যে, ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গান করার জন্য পাঁচশ’রও বেশি মিউজিক ট্র্যাক করেছিলেন তিনি।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali