The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এআই কম্পিউটিংয়ের পুরোনো সমস্যা দূর করার নতুন চেষ্টা

পরমাণুর মতো পাতলা চিপ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এআই যত শক্তিশালী হচ্ছে, ততই কম্পিউটারের সামনে একটি বড় সমস্যা স্পষ্ট হচ্ছে- তথ্যকে processor এবং memory-এর মধ্যে বারবার স্থানান্তর করতে বিপুল সময় এবং শক্তি প্রয়োজন হয়।

এআই কম্পিউটিংয়ের পুরোনো সমস্যা দূর করার নতুন চেষ্টা 1

AI model যত বড় হচ্ছে, এই data movement তত বেশি হয়ে উঠছে। এই সমস্যাকে অনেক সময় von Neumann bottleneck বলা হয়।

হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এবার এমন একটি চিপ তৈরির চেষ্টা করেছেন, যা তথ্য যেখানে রাখা আছে, সেখানেই search বা processing-এর একটি অংশ সম্পন্ন করতে পারে। ২০২৬ সালের আগস্টে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, তারা atomically thin 2D molybdenum disulfide বা MoS₂-ভিত্তিক একটি analogue content-addressable memory তৈরি করেছেন।

বিষয়টি শুনতে জটিল হলেও মূল ধারণাটি সহজ। প্রচলিত computer architecture-এ processor ও memory আলাদা জায়গায় থাকে। Processor-এর কোনো data দরকার হলে memory থেকে data আনতে হয়। তারপর calculation শেষে ফলাফল আবার memory-তে পাঠানো হয়। বিপুল পরিমাণ AI data-এর ক্ষেত্রে এই যাতায়াতই বড় bottleneck হয়ে দাঁড়ায়।

ভাবুন, একটি বিশাল লাইব্রেরিতে আপনি প্রতিটি বই আলাদা করে নিয়ে গিয়ে অন্য একটি কক্ষে পরীক্ষা করছেন। বইয়ের সংখ্যা যত বাড়বে, যাতায়াতে তত সময় লাগবে। তবে যদি বই যেখানে আছে, সেখানেই প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে পুরো প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হতে পারে।

HKU-এর গবেষণায় ঠিক এমন ধারণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের নতুন architecture data storage-এর কাছাকাছি বা data যেখানে রয়েছে, সেখানেই search operation করার চেষ্টা করছে। যে কারণে processor-memory data transfer কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়।

এখানে 2D material ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। MoS₂ অত্যন্ত পাতলা semiconductor material, যার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য nanoscale electronics-এর জন্য আকর্ষণীয়। গবেষকরা এটিকে flash memory-এর সঙ্গে ব্যবহার করে analogue content-addressable memory তৈরি করেছেন।

Content-addressable memory কিংবা CAM সাধারণ memory-এর মতো শুধু নির্দিষ্ট address থেকে data বের করার পরিবর্তে কোনো pattern বা content-এর সঙ্গে মিল খুঁজতে পারে। এটি search operation-এর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কার্যকর।

AI system-এ search একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বিশেষ করে বড় database, pattern recognition, retrieval এবং বিভিন্ন ধরনের machine-learning operation-এ দ্রুত pattern matching প্রয়োজন হয়।

এই ধরনের architecture সফলভাবে বড় আকারে ব্যবহার করা গেলে AI hardware-এর energy efficiency বাড়তে পারে। কারণ data বারবার processor-এর কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কমলে communication-এর energy cost কমানোর সম্ভাবনা থাকে।

তবে গবেষণাটি এখনও মূলধারার commercial computer chip-এর সরাসরি বিকল্প নয়। গবেষণাগারের prototype থেকে mass-produced semiconductor তৈরি করা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। reliability, manufacturing yield, integration এবং software compatibility- সবকিছু নিশ্চিত করতে হবে।

এরপরও এই আবিষ্কারের গুরুত্ব অনেক। কারণ এআই যুগে processor-এর raw computing power বাড়ানোর পাশাপাশি data কীভাবে দ্রুত এবং কম শক্তিতে processor-এর কাছে পৌঁছাবে- এই প্রশ্নও ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এআই-এর ভবিষ্যৎ শুধু আরও বড় GPU কিংবা আরও দ্রুত processor-এর ওপর নির্ভর করবে না। memory architecture, data movement এবং নতুন ধরনের material-ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। HKU-এর atomically thin analogue memory সেই পরিবর্তনের একটি সম্ভাবনাময় উদাহরণ।

একদিন হয়তো এমন computer architecture তৈরি হবে যেখানে memory এবং processor-এর প্রচলিত সীমারেখাই অনেকটা বিলীন হয়ে যাবে। তখন কম্পিউটার শুধু দ্রুত হিসাব করবে না- যেখানে তথ্য রাখা আছে, সেখানেই তথ্য খোঁজা এবং processing-এর বড় অংশ সম্পন্ন করতে পারবে। এআই-এর ক্রমবর্ধমান চাহিদার যুগে এই পরিবর্তন computing technology-তে বড় ধরনের প্রভাবও ফেলতে পারে।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali