The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সড়ক ও সেতুর বেহালদশা ॥ মির্জাগঞ্জ ও ধুনটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ গত সপ্তাহে আমরা সংবাদ দিয়েছিলাম অচথা কালভার্ট নির্মাণ করে সরকারের কোটি কোটি টাকা অপচয় করার কথা। আর আজ যে সংবাদ দেবো তার ঠিক উল্টো। কালভার্ট ও সড়কের বেহালদশার কারণে মির্জাগঞ্জ ও ধুনটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
সড়ক ও সেতুর বেহালদশা ॥ মির্জাগঞ্জ ও ধুনটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন 1
বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও সেতুর বেহালদশা বিরাজ করছে। ধুনট ও সাষিরবাড়ীতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা ও জরাজীর্ণ সড়কে যাতায়াতে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ছে। অন্যদিকে বাড়ছে দুর্ঘটনা। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া সড়ক মেরামত করার দাবি জানালেও কোনো কাজ হচ্ছে না।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী)

মির্জাগঞ্জ উপজেলার দোকলাখালী ও পর্শ্ববর্তী বেতাগী উপজেলার জলিশা বাজারসংলগ্ন বেড়েরধন নদীর ওপর আয়রন ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। মাঝে মাঝে ব্রিজটির স্লিপার ভেঙে নদীতে পড়ে যাচ্ছে। সংস্কার বা মেরামত না হওয়ার ফলে ওই এলাকার লোকজন চলাচলের জন্য সুপারি গাছ দিয়ে কোনোমতে চলাচল করছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে দুই উপজেলার কয়েক হাজার পথচারী। মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আবদুস সবুর বলেন, বেড়েরধন নদীর উপর আয়রন ব্রিজটি অনেক পুরনো। এ ব্যাপারে বেতাগী উপজেলা প্রকৌশলীকে অভিহিত করা হবে। যাতে অতি শিগগিরই দুই উপজেলার সুবিধার্তে নির্মাণের ব্যবস্থা হয়।

ধুনট (বগুড়া)

বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি নৌঘাট রাস্তার গোসাইবাড়ি সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক ধসে পরিবহন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনট-শহড়াবড়ি যমুনা নদীর ঘাট রাস্তার গোসাইবাড়ি বাজারসংলগ্ন পূর্বপাশের সেতুর দুই দিকের সংযোগ সড়ক ধসে গেছে। গত কয়েক দিনে বন্যার পানি বেড়ে গোহাটি খাল ফুঁসে উঠেছে। পানির প্রবল স্রোতে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে ওই খাল পারাপারের সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সেতুর প্রায় দুই কিলোমিটার পূর্বপাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া যমুনা নদী। নদীর পশ্চিম তীরে শহড়াবাড়িঘাট। প্রায় ৪০ বছর ধরে ওই ঘাট জেলা পরিষদ থেকে বার্ষিক ইজারা বন্দোবস্ত দেয়া হয়। শহড়াবাড়ি ঘাট থেকে বৈশাখী, কালিবাড়ী, মাঝিড়া, বোহাইল, কেষ্টা, শংকরপুর, ধারা বর্ষা, শনপচা, নাটুয়ারপাড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নৌকা চলাচল করে। প্রতিদিন শহড়াবাড়ি ঘাট থেকে প্রায় ২০টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করে। এলাকার হাজার হাজার মানুষ দৈনিক নৌপথে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করে। নৌঘাটে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তার সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ায় সব ধরনের পরিবহন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এছাড়া গোসাইবাড়ি বাজার হয়ে যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর দিয়ে সারিয়াকান্দি ও কাজীপুর উপজেলায় যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এলাকাবাসী গত এক সপ্তাহ ধরে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারছে না। ফলে এলাকার কয়েক লাখ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই সেতুর পশ্চিম পাশে গোসাইবাড়ি প্রাচীনতম বাজার। সেখানে সপ্তাহে দু’দিন হাট বসে। ওই সেতু সমস্যায় হাট-বাজারের ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে। নৌঘাটে যাতায়াতের বিকল্প কোনো পথ নেই। এজন্য মালামাল পরিবহনে ব্যবসায়ীদের কষ্ট করতে হচ্ছে। এলাকার শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে গেছে। শহড়াবাড়ি নৌঘাটের মাঝি বিরেন চন্দ্র জানায়, সড়ক যোগাযোগে বিপর্যয় ঘটে নৌযাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়ে গেছে। লোকজনের যাতায়াত কমে গেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী সালাহউদ্দিন বলেন, গোসাইবাড়ি সেতুর সংযোগ সড়ক বাঁশের পাইলিং ও বালিভর্তি বস্তা ফেলে আপাতত লোকজন চলাচলের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া সংযোগ সড়ক সংস্কারের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

মহম্মদপুর (মাগুরা) : মাগুরার মহম্মদপুরের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ডট্রাঙ্ক সড়কটি সম্পূর্ণ চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্বাধীনতার ৪০ বছরেও প্রাচীনতম ওই সড়কে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ফলে জনগুরুত্বপূর্ণ গ্র্যান্ডট্রাঙ্ক সড়কটি এখন এলাকাবাসীর জীবনে অভিশাপে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই চলছে ঝুঁকিপূর্ণ সড়কযাত্রা। প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ইটের (হ্যারিংবন) সড়কের পুরোটাই যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ইট-বালু উঠে গোটা সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ৫-৭ গজ সড়কে ইটের কোনো আলামতই নেই। দেখলে মনে হয় মাটির কাঁচা রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে ওই অবস্থা সৃষ্টি হলেও এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে জনপ্রতিনিধি ও সংশিস্নষ্ট বিভাগের কারও মাথাব্যথা নেই।

বাঘা (রাজশাহী) : রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী-রুস্তমপুর সড়কে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ওই ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে স্থানীয়রা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এছাড়া সড়কের কার্পেটিংয়ের অবস্থা আরও করুণ। ফলে বিকল্প কোনো পথ না থাকায় ওই এলাকার হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ওই সড়কে কালভার্ট সংস্কারের অভাবে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ওই কালভার্টের ওপর দিয়ে লোকজন ও গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়িত দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুন্সি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, বাঘা উপজেলায় অতিরিক্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। ওই সড়কটি সংস্কারের জন্য আগামী জেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপস্থাপন করব।

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) : সরিষাবাড়ী উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। যমুনা, ঝিনাই, সুবর্ণখালী ও ঝারকাটা নদীতে বন্যার পানি সামান্য কমেছে। বাহাদুরাবাদ এবং সিরাজগঞ্জ ঘাট পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সরিষাবাড়ী পৌরসভায় বন্যার পানি কমলেও সাতপোয়া ও কামরাবাদ ইউনিয়নের প্রায় সম্পূর্ণ এবং পিংনা, আওনা, পোগলদীঘা ও ভাটারা ইউনিয়নের অর্ধেকের বেশি আবাদি জমি পানির নিচে। অধিকাংশ গ্রামে বন্যার পানি প্রবেশ করায় জনজীবনে অসহনীয় দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এরই মধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় উপজেলার দুই লক্ষাধিক লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx