তথ্য প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত সংবাদ (১৭-০২-১৩)

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে তথ্য প্রযুক্তির হাওয়া। তাইতো বর্তমান বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তি ছাড়া ভাবাই যায় না। আজ তথ্য প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত সংবাদ (১৭-০২-১৩) এ বিশ্বের বেশ কিছু তথ্য প্রযুক্তির খবর তুলে ধরা হলো।
8d961cc1e9cc9f52f84f402f38d5e2f9
ছবি হবে পাসওয়ার্ড

আইফোনসহ অ্যাপলের যেকোনো পণ্যে ব্যবহারকারীর নিজের ছবি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। বর্তমান পাসওয়ার্ডের বিকল্প ছবি চিনতে সক্ষম- এমন প্রযুক্তি আনতে যাচ্ছে অ্যাপল। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি ‘ইমেজ বেইজড অথেনটিকেশন’ নামে নতুন একটি পেটেন্টের আবেদনও করেছে। নতুন এই পদ্ধতি ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা আরো বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিভিশন আনছে ইন্টেল

প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্টেল’ টেলিভিশন দর্শকদের অনুষ্ঠান দেখায় আরও বেশি স্বাচ্ছন্দ্য দিতে এবার ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিভিশন আনার ঘোষণা দিয়েছে। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘সেট-টপ বক্স’, প্রতিষ্ঠানটি এই সেট-টপ বক্সগুলো সরাসরি ভোক্তাদের কাছে বিক্রয় করবে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার প্রসেসরের জন্য নতুন বাজার সৃষ্টি করতে পারবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। আর এ নিয়েই প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা অ্যাপল, সার্চ জায়ান্ট গুগল ও অনলাইনে পণ্য বিক্রেতা অ্যামাজনের সঙ্গে বড় ধরনের প্রতিযোগিতা করবে প্রতিষ্ঠানটি। ইন্টেলের ডিজিটাল হোম গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিক হাগারস জানিয়েছেন, নতুন পণ্যটির মাধ্যমে দর্শকরা সরাসরি সমপ্রচার, চাহিবামাত্র অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিভিশন ইন্টেল
সেট-টপ বক্সটির সঙ্গে ভিডিও ক্যামেরা এবং মাইক্রোফোন এবং ফেস-রিকগনিশন সুবিধাসহ আরও অনেক নতুন ফিচার থাকবে। ফলে ডিভাইসটি দর্শক চিহ্নিত করতে এবং তার পছন্দ অনুযায়ী অনুষ্ঠান দেখাতে অথবা শিশুদের অ্যাডাল্ট অনুষ্ঠান দেখার ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করতে পারবে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করার সুবিধাও থাকছে এই সেট-টপ বক্সের সঙ্গে। ইন্টেলের সেট-টপ বক্স দর্শককে সনাতন কেবল এবং স্যাটেলাইট অথবা ওয়েবভিত্তিক অ্যাপল এবং অন্যান্য নির্মাতাদের পণ্যের চাইতে আরও ভালো অনুষ্ঠান দেখার অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
ইন্টেল এ বছরই ইন্টারনেটভিত্তিক টিভি চ্যানেলের যাত্রা শুরু করতে আশা প্রকাশ করছে। এ লক্ষ্যে সেবাদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কাজও চলছে। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যেই নিজস্ব ভার্চুয়াল টেলিভিশন সার্ভিস চালু করতে নির্দিষ্ট নেটওয়ার্ক ও স্যাটেলাইটের লাইসেন্স নিয়েছে।

৭০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চায় অ্যাপল

স্মার্টফোন তৈরিতে বিশ্বের সেরা দুই প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের পেটেন্ট বিরোধের যেন শেষ নেই। এবার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে স্যামসাংয়ের পণ্যে বিক্রির নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি আরও ৭০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছে অ্যাপল। গত মাসে স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলার রায়ে অ্যাপলকে ১০৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে আদেশ দেন আদালত। বিশ্বসেরা এ দুই স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কমিপউটার ব্র্যান্ড ১০টি দেশে পেন্টেটবিষয়ক আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সমপ্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয় অ্যাপল। বিচারকের রায় অনুযায়ী, আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ ফিচার নকলের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে স্যামসাং অ্যাপলকে ১০৫ কোটি ডলার দেবে।

সমপ্রতি অ্যাপল আদালতের কাছে এ আবেদন দাখিল করে। আবেদনপত্রের বক্তব্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি নকশা চুরির জন্য ৪০ কোটি ডলার, ইউটিলিটি পেটেন্ট চুরির জন্য সাড়ে ১৩ কোটি ডলার ও অন্যান্য খাতে ক্ষতিপূরণের আবেদন জানিয়েছে। সব মিলিয়ে অ্যাপল ৭০ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য এ আবেদন দাখিল করেছে। আদালতের পক্ষ থেকে যদি এ আবেদন সমপর্কিত কোন নির্দেশ আসে, তাহলে স্যামসাংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এসথ্রিও যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত হবে। স্যামসাং এ-সমপর্কিত নতুন মামলা দায়েরের আবেদন জানিয়েছে। পেটেন্ট আদেশ সমপর্কেও প্রতিষ্ঠানটি ব্যাপক হতাশা প্রকাশ করেছে।

ই-কূটনীতির ব্যবহারে এগিয়ে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ই-কূটনীতি; রাজনীতির নতুন নীতি! এক দেশ থেকে অন্য দেশের রাষ্ট্রীয় যোগাযোগের এক নতুন সমীকরণ! অনলাইনভিত্তিক এই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে দেশে দেশে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ই-কূটনীতির ভালো-মন্দ উভয় দিক রয়েছে। আসলে ই-কূটনীতি নিয়ে হচ্ছেটা কি? কি আছে এর অন্তর্নিহিত ব্যবস্থাপনায়? উত্তরটি পৃথিবীর মহারথীরা জানলেও সাধারণ মানুষের জানার সাধ্য নেই!

ই-কূটনীতির ব্যবহারে এগিয়ে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০০৯ সালে হিলারি ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পর একুশ শতকের শাসনব্যবস্থার অংশ হিসেবে তার মন্ত্রণালয় থেকে ১৯৪টি টুইটার এবং ২০০টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। এগুলোর আছে লাখ লাখ ফলোয়ার। তবে নতুন এ কৌশলে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এখনও অন্ধকারে। টুইটার ব্যবহার করছেন ২০ জন ব্রিটিশ কূটনীতিক। রাশিয়ার পররাষ্ট্র দফতরের ৪০টি টুইটার অ্যাকাউন্ট আছে। ইসরাইলও ই-কূটনীতির ব্যবহার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। জনসাধারণের জন্য ইন্টারনেটের ব্যবহারে খুলে দিতে এত কৃপণ যে চীন, সে-ও ই-কূটনীতির ব্যবহার বাড়াতে কুণ্ঠা করছে না। রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফ, ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজ, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভসহ অনেকে ইন্টারনেটের ব্যবহারে এগিয়ে আছেন। ওয়াশিংটনের ব্রুকিংস ইন্সটিটিউশনের ফেলো ফারগুস হ্যানসন ই-কূটনীতির ওপরে একটি বই-ই লিখে ফেলেছেন। তার অভিমত, যোগাযোগের এ জালটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি দুনিয়াজোড়া প্রচারমাধ্যমের সাম্রাজ্য। হ্যানসন বলেন, ই-কূটনীতির ব্যবহার সব সময়ই যে ভালো ফল দিচ্ছে, তা নয়। কখনও কখনও তা বিপত্তিও তৈরি করছে। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উত্থাপনের পেছনে বর্ণবাদী মনোভাব কাজ করেছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপত্তি বাধে। ভারতীয়দের লেখাপড়ার কাজে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার হার লক্ষণীয়ভাবে কমে যায়। অথচ এসব শিক্ষার্থীর দেয়া টিউশন ফি অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম প্রধান আয়ের খাত। ই-কূটনীতির আরও সমালোচনা আছে। মার্কিনিরা একে ব্যবহার করছে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে। কিন্তু অনেকেই বলছেন, ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহার নিশ্চিত করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নিজের জন্য এক ট্রয়ের ঘোড়া বয়ে আনছে।

চালু হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন ড্যাশ বোর্ড মনিটরিং সেল

ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন মনিটরিং ও সুপারভিশন অধিকতর কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক অনলাইনে ড্যাশবোর্ড মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। গভর্নর ড. আতিউর রহমান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্মেলন কক্ষে এর উদ্বোধন করবেন।

এর মধ্য দিয়ে ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন মনিটরিংয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফ-সাইট ও অন-সাইট সুপারভিশনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন মনিটরিং ও সুপারভিশনে অধিকতর কার্যকর হবে। এখন থেকে অন-সাইটের সুপারভাইজার বা পরিদর্শকরা ব্যাংক পরিদর্শনে যাওয়ার আগে এ সিস্টেমগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহপূর্বক ব্যাংক শাখায় সুনির্দিষ্টভাবে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। এ ছাড়া ড্যাশবোর্ড ও সংশ্লিষ্ট রিপোর্টিং সফটওয়্যার মডিউলগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক তাৎক্ষণিক দেশের আমদানির ক্ষেত্রে এলসি, ব্যাক টু ব্যাক এলসি, ইনল্যান্ড এলসি, ইনল্যান্ড বিল পারচেজ, রফতানির ক্ষেত্রে রফতানির পরিমাণ, রফতানিমূল্য প্রত্যাবাসন, বকেয়া রফতানি বিল ও মেয়াদোত্তীর্ণ রফতানি বিল এবং ইনওয়ার্ড-আউটওয়ার্ড ও ওয়েজআর্নার্স রেমিট্যান্সসহ সব বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের তথ্য জানতে পারবে। এতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মনিটরিং ও সুপারভিশন আরও নিবিড় ও জোরদার হবে এবং শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকই নয়, এসব সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক ব্যাংক তাদের নিজ নিজ শাখাগুলো মনিটর ও সুপারভাইজ করতে পারবে।

ফলে এসব রিপোর্টিং সহজতর হবে এবং সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে। বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং রেগুলেশন মোতাবেক লেনদেন পরিচালনার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবে। তা ছাড়া, ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন সংক্রান্ত জাল-জালিয়াতি বহুলাংশে হ্রাস পাবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে।

হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের কারণেই অ্যাপল এগিয়ে!

পৃথিবীজুড়ে স্মার্টফোন আর ট্যাবলেটের বাজার চরম প্রতিযোগিতার মুখে পড়লেও অ্যাপল অদৃশ্য এক শক্তিতে এখনও শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এর রহস্য সম্পর্কে মঙ্গলবার আয়োজিত গোল্ডম্যান স্যাকস টেকনোলজি অ্যান্ড ইন্টারনেট কনফারেন্সে বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী টিম কুক জানান, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং সেবার কাজ একই সঙ্গে করতে পারার সক্ষমতা থাকায় এখন পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির অনেক জায়গা রয়েছে অ্যাপলের জন্য। তিনি জানান, আইপ্যাডের কারণে হিউলেট প্যাকার্ডের বাজার মার খেয়ে গেছে। আর আইপ্যাডের আধিপত্য বেড়েই চলেছে। যদিও সংখ্যার দিক দিয়ে আইপ্যাডের বাজার কমে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। সুবর্ণ সময় পার হয়ে এসেছে অ্যাপল এমন সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে কুক বলেন, এ তিন জায়গায় উদ্ভাবনের পাশাপাশি জাদু দেখানোর সক্ষমতা রয়েছে অ্যাপলের। এমন একটা কিছু পেতে শুধু টাকা থাকলেই চলবে না। এ জায়গায় আসতে কয়েক দশক সময় লেগেছে আমাদের। সম্মেলনে অবশ্য নতুন কোন পণ্যের খবর জানাতে অস্বীকৃতি জানান কুক। তবে বিশ্বব্যাপী আইফোন এবং আইপ্যাডের বিক্রি আরও বাড়ানো সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। কুক বলেন, আমি অ্যাপলের সক্ষমতা আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দারুণ আশাবাদী। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং সেবা; সব খাতেই দক্ষ অ্যাপল। তিনি জানান, নিজস্ব মানদণ্ডের সঙ্গে আপস করে কোন ধরনের সস্তা পণ্য বাজারে আনার ইচ্ছা নেই অ্যাপলের। কুক অবশ্য স্বীকার করেছেন, অনেক ভোক্তা চাইলেও অ্যাপলের যন্ত্র কেনার সামর্থ্য রাখেন না। কুকের মতে, বাজারে নিজেদের অবস্থান ভালোভাবেই ধরে রেখেছে অ্যাপল; আগামী বছরগুলোয় এ দখল তিনগুণেরও বেশি বাড়বে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ৫০ শতাংশ ভোক্তা আইফোন কেনার সামর্থ্য রাখেন। আর তাই বিশাল সম্ভাবনা দেখছি আমি। সীমাবদ্ধতা বলে কোন শব্দ আমার জানা নেই। প্রতিদ্বন্দ্বীরা অ্যাপলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, স্ক্রিনের আকৃতি কিংবা প্রসেসরের গতির মতো ছোটখাটো বিষয় দিয়ে অ্যাপলের অর্জনকে মাপা যাবে না। তিনি বলেন, ক্রেতারা দারুণ অভিজ্ঞতা পেতে চান। তার সঙ্গে তাদের দরকার গুণগত মান আর বিস্ময় প্রকাশ করার মুহূর্ত।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...