ফেরাউনের পাসপোর্ট!

আমালেকা জাতির রাজার খেতাব ছিল ফেরাউন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ফেরাউন মূলত কারো নাম নয়। বনি ইসরাইলিদের যুগের ধর্ম যাজক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব এবং সম্ভ্রান্ত পরিবারের কর্তা ব্যক্তিদের উপাধি। পরবর্তীতে বনি ইসরাইলিরা যখন রাজ্য শাসনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তখন যারা ওই অঞ্চলের রাজা হতো তাদেরকে ফেরাউন বলে সম্বোধন করা হতো।

ফেরাউনের পাসপোর্ট বানানো হয় মূলত ১৯৭৪ সালে ফ্রান্সে এক্সিবিশন অনুষ্ঠিত হয় সেখানে নিয়ে আসতে হলে পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হয় সেজন্য এবং মানবদেহ বা এর পরিবহন সংক্রান্ত তৎকালীন আইন অনুযায়ী তার পাসপোর্ট তৈরি করা হয়।

পেশাঃ রাজা (মৃত)

এখানে সংক্ষেপে ফেরাউনদের পরিচয় তুলে ধরা হলো-

ক. আমালেকা জাতির রাজার খেতাব ছিল ফেরাউন।

খ. মিশরের অধিবাসী কিবতীদের রাজার খেতাবও ছিল ফেরাউন।

গ. হযরত মুসা আলাইহিস সালামের সময়ের (কিবতীদের শাসক) ফিরাউনের নাম নিয়ে মতভেদ রয়েছে-

১. হযরত মুসা আলাইহিস সালাম এমন এক ফেরাউনের আমলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন- যিনি রামেসিস ও পিথম নগরী নির্মাণ করেন। সে-ই হচ্ছেন দ্বিতীয় রামেসিস।

২. কেউ কেউ বলেন হযরত মুসা আলাইহিস সালাম মাদিয়ানে অবস্থানকালে ক্ষমতাসীন ফেরাউনের (অর্থাৎ দ্বিতীয় রামেসিসের) মৃত্যু ঘটে এবং হযরত মুসার জীবনের পরবর্তী ঘটনাবলী সংঘটিত হয় দ্বিতীয় রামেসিসের উত্তরাধিকারী মারনেপতাহর রাজত্বকালে।

৩. কেউ কেউ বলেন, হযরত মুসা আলাইহিস সালামের যুগের ফেরাউনের নাম ছিল ওলীদ ইবনে মাসআব ইবনে রাইয়ান। তার বয়স হয়েছিল চারশত বছরেরও অধিক। হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের যুগের ফেরাউনের নাম ছিল রাইয়ান। এ দুই ফেরাউনের মধ্যে ৪০০ বছর সময়ের ব্যবধান ছিল।

সুতরাং ফেরাউনদের নাম যাই হোক, তৎকালীন শাসকদের খেতাব ছিল ফেরাউন। ইতিহাসে এ সকল শাসকরা ফিরাউন নামে পরিচিতি লাভ করেছে। সর্বশেষ ফেরাউনের লাশ এখনো বিনা প্রক্রিয়া আল্লাহ তাআলা নির্দশন স্বরূপ অবিকল সংরক্ষণ করেছেন। যা মিসরের মিউজিয়ামে রয়েছে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...