The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের নিয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করলেন চিকিৎসকরা

কীভাবে মানবদেহে আক্রমণ করে থাকে? এই রোগের পুরো লক্ষণগুলোই বা কী? কাদের গুরুতর অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেশি? আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হবে কীভাবে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে চীনের উহানে মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার শত। আজ সোমবার পর্যন্ত দেশটিতে এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৬ জনে। মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৭ হাজার ২০৫ জন।

করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের নিয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করলেন চিকিৎসকরা 1

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এখন পর্যন্ত রহস্য হয়ে রয়েছে নভেল করোনা ভাইরাস। এটি কীভাবে মানবদেহে আক্রমণ করে থাকে? এই রোগের পুরো লক্ষণগুলোই বা কী? কাদের গুরুতর অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যু ঝুঁকি অনেক বেশি? আক্রান্তদের চিকিৎসা দেওয়া হবে কীভাবে? বিশ্বজুড়ে চিকিৎসকদের কাছে এখনও অপরিচিত এই বিষয়গুলো নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে শুরু করেছেন চীনের উহানের জিনিতান হাসপাতালের চিকিৎসকরা। দুনিয়াব্যাপী আতঙ্ক ছড়ানো প্রাণঘাতী এই রোগে আক্রান্তদের সামালে সামনের কাতারে রয়েছে চীন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, উহানের ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া প্রথম ৯৯ জন রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেন্ট মেডিকেল জার্নাল নামক একটি জার্নালে।

ফুসফুসে আক্রমণ ঘটে যেভাবে

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৯৯ জন রোগীর সবারই ছিল নিউমোনিয়া। তাদের ফুসফুসে প্রদাহ ও ফুসফুসের অ্যালভিওলাই, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যেসব প্রকোষ্ঠের মধ্যদিয়ে রক্তে অক্সিজেনে মেশে, সেগুলোতে পানি জমে গিয়েছিল।

উপসর্গ

৮২ জনের জ্বর ছিলো, ৮১ জনের ছিলো কফ, ৩১ জনের শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা ছিলো, ১১ জনের শরীর ব্যথা, ৯ জনের প্রলাপ বকা বা স্মৃতি বিভ্রম ঘটা, ৮ জনের মাথা ব্যথা, ৫ জনের গলায় ব্যথা এমন উপসর্গ দেখা গেছে।

প্রথম মৃত্যু হয়েছিলো যেভাবে

করোনা ভাইরাসে প্রথম যে দুজনের মৃত্যু হয় তারা দেখতে বেশ স্বাস্থ্যবান ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধূমপানের কারণে তাদের ফুসফুস হয়তো পূর্বেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে।

প্রথম জন ৬১ বছরের বৃদ্ধ হাসপাতালে এসেছিলেন প্রচণ্ড নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। ওই ব্যক্তি তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন, অর্থাৎ তার ফুসফুস শরীরকে জীবন্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনও সরবরাহ করতে পারছিল না। ভেন্টিলেটরে রাখার পরেও তার ফুসফুস ক্রমেই বিকল হয়ে পড়ে এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় এক সময়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ১১ দিন পর তার মৃত্যু ঘটে।

২য় জন, ৬৯ বছর বয়সী বৃদ্ধেরও সেই সময় তীব্র শ্বাসকষ্ট ছিল। তাকে কৃত্রিম ফুসফুস কিংবা একস্ট্রা কর্পোরিয়াল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন (ইসিএমও বা একমো) দেওয়া হলেও তা যথেষ্ট পরিমাণ ছিল না। সিভিয়ার নিউমোনিয়া এবং রক্তচাপ কমে সেপটিক শকে তার মৃত্যু ঘটে।

ভর্তিকৃত রোগির অন্তত ১০ শতাংশের মৃত্যু

২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই ৯৯ জন রোগীর মধ্যে ৫৭ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ৩১ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েও গেছেন। ১১ জন মারা গেছেন। এর অর্থ এই নয় যে, এই রোগে মৃত্যুর হার ১১ শতাংশ হবে। এখনও অনেকেই হাসপাতালে থাকায় তাদের কেও কেও মারাও যেতে পারেন, আবার অনেকের উপসর্গ মৃদু হওয়ায় তারা হয়তো হাসপাতালেই যাননি এমনও রয়েছে।

মার্কেট কর্মী

২০১৯-এনসিওভি নামে এ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে উহান শহরের একটি সি ফুড মার্কেটের যোগাযোগ পাওয়া গেছে। ওই বাজারে মুরগি, বাদুড়, খরগোশ, সাপ, সামুদ্রিক প্রাণীসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর বিকিকিনি হয়ে আসছিলো। গত ১ জানুয়ারি এই বাজারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রথম আক্রান্ত ৯৯ জনের মধ্যে ৪৯ জনই এই মার্কেটের সঙ্গেই সরাসরি জড়িত ছিলেন। ৪৭ জন সেখানে কাজ করতেন, হয় দোকানের ম্যানেজার কিংবা কর্মী ছিলেন তারা। দুজন ছিলেন এর মধ্যে ক্রেতা, যারা সদ্যই ওই বাজার ঘুরে আসেন।

মধ্যবয়সীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন

ওই ৯৯ রোগীর অধিকাংশই মধ্যবয়সী, তাদের গড় বয়স ৫৬ ও ৬৭ জনই পুরুষ। সাম্প্রতিক তথ্যেও নারীর চেয়ে পুরুষের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি দেখা যায়। চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ সেন্টার বলছে যে, একজন নারীর বিপরীতে ১ দশমিক ২ জন পুরুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এখানে এই ব্যবধানের পেছনে দুই ধরনের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে- করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে পুরুষের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো অবস্থা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। প্রাদুর্ভাবের প্রথম ধাপে সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কারণে পুরুষের শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমণের সুযোগ অনেক বেশি থাকে।

উহানের জিনিতান হাসপাতালের চিকিৎসক লি ঝাং এই বিষয়ে বলেছেন, নারীদের করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কম হওয়ার পেছনে এক্স ক্রোমোসোম এবং সেক্স হরমোনের ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এগুলো মূলত রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আগে থেকেই অসুস্থতা

ওই ৯৯ জনের বেশির ভাগই আরও আগে থেকে অসুস্থ ছিলেন। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় খুব সহজেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ৪০ জন পূর্বে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে আবার ১২ জনের ছিল ডায়াবেটিস।

উপরোক্ত প্রতিবেদনটিতে একটি বিষয় প্রায় পরিষ্কার হয়েছে। আর তা হলো করোনা ভাইরাস আসলে কোন বয়সীদের বেশি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে। তাছাড়া মহিলা থেকে পুরুষদের বেশি এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং অন্য কঠিন রোগ যাদের রয়েছে যেমন ডায়াবেটিস, হৃদ রোগের মতো রোগ তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে একটু বেশি। তবে তাই বলে অন্য বয়সীরাও রয়েছেন। তবে বৃদ্ধদের ঝুঁকি একটু বেশি বলেই মনে হচ্ছে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx