The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

অনলাইনে ঘরে বসে এনআইডি কারেকশন খুবই সহজ

মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ঘরে বসে অনলাইনে আপনার এনআইডির ভুল সংশোধন করতে পারেন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অনলাইনে এনআইডি কারেকশন খুবই সহজ। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ঘরে বসে অনলাইনে আপনার এনআইডির ভুল সংশোধন করতে পারেন।

অনলাইনে ঘরে বসে এনআইডি কারেকশন খুবই সহজ 1

অনলাইনে এনআইডি কারেকশন খুবই সহজ। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ঘরে বসে অনলাইনে আপনার এনআইডির ভুল সংশোধন করতে পারেন। এখন অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন এটি কিভাবে সম্ভব? কারণ আমাদের দেশে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে মাসের পর মাস ঘুরেও অনেকেই এনআইডি কারেকশন করতে বেগ পান। কারণ হলো ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে কাগজপত্র নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে ঘুরেও কোনো কাজ হয় না। জনৈক ব্যক্তি জানান তিনি গত বছর ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে তার স্ত্রীর নামের ভুল। একটি অক্ষর ভুল ছিলো আর সেই ভুল সংশোধন করতে গিয়ে তাকে প্রায় বছর খানেক ঘোরা লেগেছে। তিনি অক্টোবরে (২০১৯) জমা দেওয়ার পর ডিসেম্বরে যান ওই অফিসে (কচুক্ষেতের নির্বাচন কমিশন অফিস)। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন আরও সময় লাগবে। তারপর জানুয়ারী ২০২০ এবং ফেব্রুয়ারীতেও যান। তখনও বলা হয় আরও সময় লাগবে। তারপর করোনা শুরু হয়ে যাওয়ায় আটকে যায় তার ওই একটি অক্ষরের ভুলের সংশোধন। এরপর করোনার পর অফিস খোলার পর আগস্টে গিয়ে দেখা যায় তার কাজটি হয়েছে। বলা হয় অনলাইনে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। এভাবে প্রায় এক বছর সময় লেগেছে।

তবে এখন অনলাইনে যে পদ্ধতিতে সংশোধন করা হচ্ছে তাতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ হয়ে যাচ্ছে। এক বা দুটি নাম সংশোধন করতে হলে আপনাকে প্রথমেই আপনারকে এনআইডি’র ওয়েব সাইটে ঢুকতে হবে। তারপর লগইন করে আপনার নিজের আইডিতে ঢুকতে হবে। তখন সেখানে আসবে এডিট অবশন। সেখানে যখন আপনি যাবেন তখন আপনাকে নির্ধারিত টাকা জমা দিতে বলা হবে। সেই টাকার পরিমান ২৩০ কিংবা ৪৬০ টাকাও হতে পারে। এটি নির্ভর করবে আপনি কতোটা কারেকশন করবেন তার উপর। যদি আপনার নামের একটি বা দুটি অক্ষরের ভুল থাকে তাহলে আপনাকে ২৩০ টাকা জমা দিতে হবে। আপনার এনআইডি’র বিপরিতে অর্থাৎ আপনার এনআইডি নম্বর দিয়ে হয়তো সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে। নইলে রকেট এর মাধ্যমেও টাকা জমা দিতে পারেন। তারপর আপনাকে কারেকশন করার সুযোগ দেওয়া হবে। তখন আপনার ভুলগুলো আপনি নিজেই সংশোধন করতে পারবেন। অর্থাৎ অপশনে দেখা দিবে পুরাতন নাম এবং নতুন সংশোধিত নামের অপশন। আপনি কারেকশন করলে তখন আপনাকে জন্ম নিবন্ধন, এসএসসি সার্টিফিকেট বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে বলা হবে। আপনি যদি তাদের চাওয়া অনুযায়ী সঠিকভাবে আপনার কাগজপত্র জমা দিতে পারেন তাহলে যেদিন এটি করবেন তার ৩/৪ কার্য দিবসের মধ্যেই আপনার কাজটি সম্পন্ন হয়ে যাবে। তাছাড়া যদি আরও কাগজপত্র প্রয়োজন পড়ে তাহলে এসএমএসের মাধ্যমে আপনাকে জানিয়ে দেবে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট অফিস। তখন সেগুলোও একই পদ্ধতিতে আপলোড করে দিতে হবে।

সংশোধন সম্পন্ন হলে আপনাকে ম্যাসেজ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। তখন আপনি আপনার কার্ডটি ডাউনলোড করে কালার প্রিন্ট করে লেমেনেটিং করে নিতে পারবেন। তবে আগেকার আমলের নর্মাল কার্ড নিয়েই আপাতত আপনাকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। পরবর্তীতে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্মার্ট কার্ড বিষয়ে আপনাকে কথা বলতে হবে। আর ঠিক এভাবেই খুব সহজেই আপনি আপনার এনআইডি কার্ডটির ভুল সংশোধন করতে পারেন খুব সহজে ঘরে বসেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...