The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

করোনার ফাঁদে আবারও দেশের প্রেক্ষাগৃহ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কঠোর লকডাউনের আগেই ‘অঘোষিতভাবে’ বন্ধ ছিলো দেশের অধিকাংশ সিনেমা হল। আবার ১৪ তারিখের কঠোর লকডাউনে পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেশের সবগুলো প্রেক্ষাগৃত।

করোনার ফাঁদে আবারও দেশের প্রেক্ষাগৃহ 1

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউনে চলে যাচ্ছে গোটা দেশ। গত সপ্তাহে জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে কিছু কিছু জিনিস খোলা রাখা হলেও সরকারি ঘোষণা না আসায় বন্ধ রাখা হয়নি দেশের সিনেমা হলগুলো। তবে সিনেমা হল খোলা রাখলেও দর্শক না থাকায় ‘অঘোষিতভাবে’ দেশের অধিকাংশ প্রেক্ষাগৃই বন্ধ রাখে হল কর্তৃপক্ষ।

রাজধানী ও আশাপাশের বেশকিছু সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ জানান, লক ডাউন ঘোষণার পর হতে শো-গুলোতে দর্শকদের উপস্থিতি শুন্যের কোটায় নেমে আসে। তাই সিনেমা হল বন্ধ রাখতে বাধ্য হন মালিকরা।

হল মালিকদের বক্তব্য হলো, দর্শক না এলে সিনেমা খুলে কোনো লাভ হচ্ছে না আমাদের। বরং শুধু শুধু খরচ আরও বাড়ছে। উপরি লোকসান গুনতে হচ্ছে আমাদের। ক’দিন পরেই রমজান মাস। তখন এমনিতেই হল বন্ধই থাকবে। তাই অনেক সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ ভাবছেন করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে আসন্ন ঈদে একেবারে নতুন সিনেমা প্রদর্শনের মাধ্যমে হলগুলো খুলে দেবেন। তবে আবারও কঠোর লকডাউনের কারণে শংকায় আছেন মালিকরা। হয়তো ঈদেও হলগুলো খোলা যাবে কিনা তা নিয়ে শংকায় পড়েছেন তারা। এই অবস্থা আরও কতো দিন বা কতো মা চলে তা নিয়ে শংকা দেখা দিয়েছে। এমনিতেই গতবছর দীর্ঘদিন সিনেমা হলগুলো বন্ধ থাকায় মালিকদের ব্যাপক লোকসান গুণতে হয়। শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েন। আবারও সেই আশংকা দেখা দিয়েছে।

বর্তমানে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে আসবে না করোনা। যে কারণে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তার উপরই দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোর মতোই সিনেমা হল এবং চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎও নির্ভর করছে। এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত অভিনেত্রী, অভিনেতা থেকে শুরু করে ছোট মাপের অভিনয় শিল্পীদের অবস্থা গতবারের মতোই হয়তো করুণ এক পরিণতির দিকে ধাবিত হবে। যা কারই কাম্য নয়। তবে পরিস্থিতি বলে দেবে আসলে কী ঘটবে এবার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...