The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ল্যাপটপের কি-বোর্ড কাজ না করলে করণীয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ল্যাপটপে কাজ করার সময় কি-বোর্ড কাজ না করলে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। আজ ল্যাপটপের কি-বোর্ড কাজ না করলে করণীয় জেনে নিন।

ল্যাপটপের কি-বোর্ড কাজ না করলে করণীয় 1

ল্যাপটপের কি-বোর্ড খারাপ হয়ে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। আপনি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন, তখন আচমকা কি-বোর্ড হয়তো কাজ করছে না। প্রেস করলেই তখন উল্টোপাল্টা নম্বর কিংবা অক্ষর স্ক্রিনের ওপর চলে আসছে। কাজের মধ্যে এমনটি হলে মাথা গরম হয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। কি-বোর্ড খারাপ হলে কিংবা কয়েকটি ‘কি’ বিগড়ে গেলে মুশকিল। এতে গোটা কি-বোর্ডটাই বদলে ফেলতে হয়। তবে আপনি জানেন কী? আপনি বাড়িতে বসেই কি-বোর্ড ঠিক করে ফেলতে পারবেন! জেনে নিন খারাপ হওয়া কি-বোর্ড কীভাবে আপনি ঠিক করবেন।

রিবুট

প্রথমেই ল্যাপটপ রিবুট করুন। কারণ হলো সফটওয়্যার না হার্ডওয়্যারের সমস্যা তা তো আমি কিংবা আপনি বুঝবো না, তাই ল্যাপটপ একবার রিবুট করে নেওয়াই ভালো। অনেক সময় রিস্টার্ট করলে সমস্যা মিটে যেতে পারে।

পরিষ্কার করুন কি-বোর্ড

আপনার ল্যাপটপের কি-বোর্ড সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ভালো করে কি-বোর্ড পরিষ্কার রাখলে খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা তখন কমবে। আপাতত টুথপিক কিংবা তুলোর বাড সরিয়ে খুঁচিয়ে এইসব নোংরা, ধুলো ময়লা বের করেও নিতে পারেন। এতে করে আপনার ল্যাপটপের কীবোর্ড অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।

কি-বোর্ড সেটিংস ঠিক করুন

আপনার ল্যাপটপের কি-বোর্ড সেটিংস ঠিক না থাকলেও নানা সমস্যা হতে পারে। সেখানে কোনো গণ্ডগোল রয়েছে কিনা ভালো করে দেখুন। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে সেখান থেকে কন্ট্রোল প্যানেলে চলে যান। এবার কন্ট্রোল প্যানেলে কি-বোর্ড খুঁজে নিয়ে সেটিংসটি ঠিক করুন।

কি-বোর্ড ড্রাইভার আপডেট করুন

এখন ল্যাপটপের স্টার্ট মেনুতে সার্চ বার টাইপ করুন। সার্চে লিখুন ডিভাইস ম্যানেজার। সার্চে যে নামগুলো উঠে আসবে সেখান থেকেই কি-বোর্ড খুঁজে বের করুন। এখন কি-বোর্ড অপশনে রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিস অপশনটি সিলেক্ট করুন। প্রপার্টিস থেকে ড্রাইভারে গিয়ে তারপর আপডেট ড্রাইভার করতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই নতুন ড্রাইভারের অপশন চলে আসবে, এবার সেটি ইনস্টল করে নিন।

আনইনস্টল ড্রাইভার

আবার কি-বোর্ড ড্রাইভার আনইনস্টল করলেও এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। একই প্রক্রিয়ায় ডিভাইস ম্যানেজারে চলে যান। সেখান থেকে কি-বোর্ডটি খুঁজে বের করুন। যদি দেখেন কি-বোর্ড ড্রাইভারের পাশে ‘!’এই চিহ্নটি রয়েছে, তাহলে বুঝতে হবে যে গণ্ডগোল। তখন আন-ইনস্টল করে পুনরায় রি-ইনস্টল করে নিন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx
bn_BDBengali