The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

‘কলকাতা ডায়েরিজ’ ওটিটিতে আসছে ১৮ জুলাই

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আগামীকাল (১৮ জুলাই) ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ’তে আসছে ওয়েব ফিল্ম ‘কলকাতা ডায়েরিজ’। এটি লিখেছেন খায়রুল বাসার নির্ঝর, পরিচালনায় রাশেদ রাহা।

‘কলকাতা ডায়েরিজ’ ওটিটিতে আসছে ১৮ জুলাই 1

‘কলকাতা ডায়েরিজ’-এ অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের শ্রীলেখা মিত্র এবং দর্শনা বণিক। তাদের সঙ্গে রয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ অভিনেতা সিফাত আমিন শুভ। আরও রয়েছে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ গুহ প্রমুখ অভিনয় শিল্পী।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ওয়েব ফিল্মটির শুটিং হয়েছে কলকাতার নিউটাউন- রাজারহাট অঞ্চলে। বিগ আর এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে কলকাতা ডায়েরিজের প্রযোজনায় রয়েছেন কাজী জাফরিন মুন। আর সংগীত পরিচালনায় এহসান রাহী।

এই ওয়েব ফিল্ম এর গল্পে দেখা যাবে- শ্রীলেখা একজন সফল উদ্যোক্তা। তার অফিসেই কাজ করেন দর্শনা। বোনের মতোই কাছাকাছি সম্পর্ক তাদের মধ্যে। ঘটনাক্রমে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয় স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান পিকে (অর্থাৎ সিফাত আমিন)। জীবনের নানা জটিলতা পেরিয়ে অনামিকা যদিও বর্তমানে একজন সফল নারী, তবুও অতীত যেনো তার পিছু ছাড়ে না। শুরু হয় নতুন এক গল্প।

শ্রীলেখা মিত্র’র বক্তব্য হলো, ‘ওয়েব ফিল্ম কলকাতা ডায়েরিজে আমার নাম অনামিকা। আমি এখানে শর্মির (দর্শনা বণিক) বস। তবে আমি বস হওয়া সত্ত্বেও যেহেতু একটা ক্রিয়েটিভ এরেনার মধ্যেই রয়েছি, যে কারণে খুব ক্লোজ সম্পর্ক আমার শর্মির সঙ্গে। দুই বোনের মতোই। বড় দিদির মতো আমি একটু শাসনও করি। সে আমার বাড়িতে মাঝে-মধ্যে থেকেও যায়। আমরা একসঙ্গে পার্টিও করি। শর্মি তার বন্ধু পিকে-কে ইন্ট্রোডিউস করে। সুতরাং আমাদের সঙ্গে সেও থাকে। আমাদের তিনজনের অনস্ক্রিন-অফস্ক্রিন একটা কেমিস্ট্রিও হয়। কাজটা করে বেশ ভালো লেগেছে। এখন কতোটা ভালো করতে পারলাম, সেটি দর্শকরা ভালো বলতে পারবেন।’

দর্শনা বণিক-এর বক্তব্য হলো, ‘এই ওয়েব ফিল্মে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আমার কাছে একেবারেই আলাদা। তার কারণ হলো, আমি প্রথমবার রাশেদ রাহা, শ্রীলেখা মিত্র ও সিফাত আমিনের সঙ্গে কাজ করেছি। এই গল্পটা বাংলাদেশে লেখা হয়েছে। তবে পুরো শুটিংটাই হয়েছে কলকাতায়। আমার এক্সপেরিয়েন্স খুবই ভালো ছিল। কলকাতা ডায়েরিজ মূলত বন্ধুত্বের এক গল্প- সম্পর্কের গল্প। এই সময়কার শহরের একটা গল্প। আমার চরিত্রটি (শর্মি) আজকের দিনের সঙ্গে খুবই রেলিভেন্ট। আমি যে চরিত্রটি প্লে করেছি, সে রকম চরিত্র প্রচুর রয়েছে আমাদের আশপাশে। তাই গল্পটির সঙ্গে দর্শকরাও রিলেট করতে পারবেন।’

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali