দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নোংরা বোতলে দুধ খাওয়ালে আপনার শিশু সন্তান অসুস্থও হয়ে পড়তে পারে। তাই দুধের বোতল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে সঠিক এবং সহজ টোটকা আজ জেনে রাখুন।

বছর, ২ মাস হোক কিংবা ২ বছর, পরিষ্কার দুধের বোতলেই দুধ খাওয়াতে হবে। শিশুদের দুধের বোতল পরিষ্কারের জন্য আজকাল বাজারে স্টেরিলাইজ়ার মেশিন পাওয়া যায়। তবে সেই যন্ত্র কেনা সবার পক্ষেই সম্ভব নয়। আবার বাসন মাজার সাবান এবং গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করা সত্ত্বেও বোতলের ভিতর থেকে আঁশটে গন্ধ ছাড়তে পারে। গন্ধের অর্থ বোতল ঠিকমতো পরিষ্কার হয়নি ও এতে জীবাণুও বাসা বাঁধছে। নোংরা বোতলে দুধ খাওয়ালে সন্তান অসুস্থও হয়ে পড়তে পারে। তাই দুধের বোতল পরিষ্কারের সঠিক এবং সহজ টোটকা জেনে নিন।
বেকিং সোডা এবং গরম পানি
রান্নাঘরে রান্নায় যতো বেশি না বেকিং সোডা কাজে আসে, তার চেয়ে বহুগুণ কাজে আসে বাসন মাজাতে। একটি পাত্রে ফুটন্ত গরম পানি নিন। এতে ২-৩ চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিতে হবে। যার মধ্যে দুধের বোতলগুলো মিনিট পনেরো ডুবিয়ে রাখতে হবে। তারপরে ব্রাশের সাহায্যে বোতল ভালো করে ঘষে মেজে নিতে হবে। শেষে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে এর পরও গরম পানিতে বোতলগুলো ফুটিয়ে নিতে পারেন।
সাদা ভিনেগার
বোতলের জীবাণু দূর করার জন্য সাহায্য নিন ভিনেগারের। গরম পানির সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে দুধের বোতল ভিজিয়ে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর ব্রাশ দিয়ে বোতল মেজে তারপর ধুয়ে নিন। খেয়াল রাখুন, দুধের বোতলে যেনো ভিনেগারের গন্ধ যেনো না থাকে। ভিনেগার সমস্ত জীবাণু মেরে ফেলবে।
লেবুর রস এবং নুন
পাতিলেবুর রস এবংও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি বোতলের ভিতরে পুরে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। তারপরে ১৫ মিনিট ওইভাবেই বোতলটা রেখে দিন। এরপরে পরিষ্কার পানিতে দিয়ে বোতল ধুয়ে নিন। এতে সমস্ত গন্ধ, জীবাণুই পরিষ্কার হয়ে যাবে। শিশুদের দুধের বোতল হোক কিংবা পানির বোতল হোক, মেজে ধুয়ে নেওয়ার পর আবার গরম পানিতে সেটা ফুটিয়ে নেওয়াটা জরুরি। তথ্যসূত্র: এই সময়।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>
করনা সম্পর্কে নতুন করে জরুরী সতর্কতা
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।
১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:
i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।
২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।
৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।
৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।
৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।
এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।
৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।
এই COVID-Omicron XBB “ওয়েভ” প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।
সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।
✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।
ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
The above line may surprise many but this is what the majority of kids dream of – about robots, dinosaurs and space. Knowing about them, propels them to an increased interest in ‘dry’ subjects like maths and science.
English as a global language has undoubtedly become an important aspect that indirectly determines the future of our students. The widespread acceptance and understanding of this language around the world, whether it be a student’s educational aspirations, a future career, or simply being incorporated into society can’t be denied.