দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বলিউডে কাস্টিং কাউচ নতুন কিছুই নয়। ইন্ডাস্ট্রিতে সুযোগ পাওয়ার জন্য অনেকেই নিরবে মেনে নেন এইসব জঘন্য প্রথা। এবার কাস্টিং কাউচের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিলেন বলিউড অভিনেত্রী মৌনী।

তবে বর্তমান সময়ে এসে কাস্টিং কাউচ প্রথা অনেকটা কমে এসেছে, অনেক বলিউড সেলিব্রিটি এই প্রথার বিরুদ্ধে বর্তমানে মুখ খুলছেন।
এবার বলিউডের এই ওপেন সিক্রেট নিয়ে মুখ খুলেছেন বলিউডের বাঙালি অভিনেত্রী মৌনী রায়। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে মৌনী রায় জানালেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে একটি দৃশ্য বোঝাতে গিয়ে, ঠিক কী করেন কাস্টিং ডিরেক্টর।
পডকাস্টে মৌনী রায় বলেছেন, ‘বলিউডে এমনিতে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হয়নি। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই এক বিজ্ঞাপনের কাস্টিং ডিরেক্টর এমন ব্যবহার করেছিল যা আজও আমি ভুলতে পারিনি।’
মৌনী আরও বলেন, ‘একটি বিজ্ঞাপনের শুটের জন্য আমাকে একটি দৃশ্য বোঝাচ্ছিলেন ওই পরিচালক, সেখানে নায়িকা সুইমিংপুলের পানিতে ডুবে যাচ্ছিল। তাকে নায়ক বাঁচাতে গিয়ে মাউথ টু মাউথ রেসকিউ ব্রেথ দেওয়ার দৃশ্যও ছিল।
সেই দৃশ্য বোঝাতে গিয়ে সত্যি সত্যিই আমাকে মাটিতে ফেলে আমার মুখে মুখ ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন ওই পরিচালক। পুরো ঘটনায় যেনো ঘেন্না লেগেছিল আমার, আমি কাঁদতে শুরু করেছিলাম। আজও যখন সেদিনের কথা মনে পড়ে, খুব বিরক্ত লাগে।’
মৌনী রায়ের অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু টেলিভিশনের পর্দা হতেই। ‘নাগিন’ ধারাবাহিকে দুরন্ত অভিনয় করে নজর কাড়েন মৌনী রায়।
একতা কাপুরের বালাজী ফিল্মসের হাত ধরে মৌনী একের পর এক টেলি ধারাবাহিকেও নজর কেড়েছেন। যার মধ্যে ‘কিউকি সাস ভি কভি বহু থি’, ‘কস্তুরি’, ‘দেব কা দেব মহাদেব’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
উল্লেখ্য, মৌনী রায়ের সিনেমায় যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালের ‘গোল্ড’ সিনেমা দিয়ে। প্রথম সিনেমাতে সুপারস্টার অক্ষয়ের বিপরীতে অভিনয় করে পৃথক নজর কেড়েছিলেন মৌনী। তারপর ‘রোমিও আকবর ওয়াল্টার’, ‘মেড ইন চায়না’ ছবিতেও অভিনয় করে বেশ সাড়া ফেলেন।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
Your blog is a beacon of light in the often murky waters of online content. Your thoughtful analysis and insightful commentary never fail to leave a lasting impression. Keep up the amazing work!
This might be the most useful article I’ve read all month! I’ve been looking for practical advice on this topic that actually feels realistic and achievable, and you delivered exactly that. I love that you didn’t promise overnight success or magic solutions – your honesty about the process and what it actually takes is refreshing. The resources section at the end is also incredibly helpful. I’ve bookmarked this to come back to whenever I need a reminder or refresh!