The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দীপিকা ছেলের জন্য সুস্থ হয়ে উঠতে চান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারতীয় অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর যে কোনো মূল্যেই হোক না কেনো একমাত্র শিশুসন্তানের জন্য সুস্থ হয়ে উঠতে চান। এখন বাহ্যিক সৌন্দর্য, ওজন বৃদ্ধি বা চুল ঝরে যাওয়া, কোনো দিকেই বিন্দুমাত্র মাথা ঘামাতে রাজি নন তিনি।

দীপিকা ছেলের জন্য সুস্থ হয়ে উঠতে চান 1

সম্প্রতি অভিনেত্রীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে এক আলাপচারিতায় আসেন সহ-অভিনেত্রী রশ্মি দেশাই। সেখানেই উঠে আসে দীপিকার ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন এক অধ্যায় ক্যান্সারের সঙ্গে তার নিরন্তর লড়াইয়ের এইসব কথা।

ওই কথোপকথনে হিন্দি ধারাবাহিক ‘শ্বশুরাল সিমরন কা’ খ্যাত এই তারকা জানিয়েছেন, চিকিৎসার কারণে তার চুল ঝরে যাচ্ছে ও ওজনও দ্রুত বাড়ছে। তবে তার কাছে এখন বাহ্যিক সৌন্দর্য একেবারেই মূল্যহীন।

ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে দীপিকা বলেছেন, ‘প্রথম যখন জানলাম, আমার ক্যান্সার হয়েছে, চোখের সামনে শুধুমাত্র ছেলের মুখটাই ভেসে উঠেছিল। আমি চিকিৎসার জন্য যখন হাসপাতালে ভর্তি হতে যাচ্ছিলাম, সেইবারই প্রথম ছেলেকে সঙ্গে নিতে পারিনি।’

তার ভাষায়, ‘তাকে মায়ের কাছে রেখে যেতে হয়। এক বছরের শিশু মাকে না পেয়ে সেদিন অঝোরে কেঁদেছিলো। সেই দৃশ্য দেখে আমার কষ্টে বুক যেনো ফেটে গিয়েছিল।’ শুধু দীপিকাই নন, তার স্বামী অভিনেতা শোয়েব ইব্রাহিমও সেই সময় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

পরে দু’জনে মিলেই সিদ্ধান্ত নেন শরীরে যে রোগই হোক না কেনো, তাকে সুস্থ হতেই হবে। বর্তমানে এই সংকল্প নিয়ে দীপিকা কক্কর চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। অসুস্থতা এবং জীবনের এই কঠিন সময় পরিবারের সব সদস্য তার পাশেই রয়েছেন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali