The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিতর্কের পর ‘সব ছাড়া’র ঘোষণা গায়িকা নেহা কক্করের

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গায়িকা নেহা কক্করকে যেনো বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। কখনও আলটপকা মন্তব্য, কখনও আবার উদ্ভট কাণ্ডকীর্তির জেরে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। তেমনি এক বিতর্কের পর ‘সব ছাড়ার’ ঘোষণা দিয়েছেন নেহা।

বিতর্কের পর ‘সব ছাড়া’র ঘোষণা গায়িকা নেহা কক্করের 1

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের সব দায়িত্ব থেকে বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন নেহা কক্কর। কিছুদিন আগেই মুক্তি পায় নেহা এবং তার ভাই টনি কক্করের গান ‘ললিপপ’। সেই গান এবং গানের দৃশ্যায়নের জন্য বেশ কটাক্ষের মুখে পড়েন নেহা। গানটিকে অশালীন এবং অভব্য বলেও দাবি করেন অনেকেই। সেই জন্যই কী হঠাৎ বিনোদনজগৎ থেকে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নেহা?

ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন স্টোরিতে নেহা কক্কর লিখেছেন, তিনি ‘দায়িত্ব, সম্পর্ক, কাজ ও সবকিছু থেকে বিরতি নিচ্ছেন। এই বিবৃতিতে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ঠিক কতোদিন বিরতিতে থাকবেন, তা অবশ্য জানাননি, তবে সমর্থন জানানো ভক্তদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন।

ইতিমধ্যেই ‘ক্যান্ডি শপ’ গানটি ইউটিউবে ২৩ মিলিয়নের বেশি দর্শক পেয়েছে, তবে এর সঙ্গে সমালোচনাও এসেছে বিস্তর। অনেকেই গানকে কম আকর্ষণীয়ও মনে করেছেন, কেও কেও আবার গান, নৃত্য এবং ভিজ্যুয়াল স্টাইল নিয়ে আপত্তিও জানিয়েছেন, এমনকি কেও কেও কে-পপ স্টাইলের অনুকরণ করার অভিযোগও তুলেছেন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali