The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ সম্মানিত গার্ডিয়ান লাইফ

১ কোটি ২২ লাখ মানুষের ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা এবং সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের আর্থিক সহনশীলতা বাড়ানোর স্বীকৃতি পেল “গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা”

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ ‘মোস্ট সাসটেইনেবল ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অব দ্য ইয়ার–ইন্স্যুরেন্স’ বিভাগে বিজয়ী হয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ সম্মানিত গার্ডিয়ান লাইফ 1

এই স্বীকৃতির নেপথ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্ভুক্তিমূলক বিমা উদ্যোগ ‘গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা’। স্বল্প আয়ের এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করে আর্থিকভাবে আরও সহনশীল সমাজ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে ‘গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা’।

বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম এবং সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ এ আয়োজন করে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা উদ্যোগগুলোকে এ পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

গার্ডিয়ান লাইফ এবং ব্র্যাকের অংশীদারিত্বে ২০১৫ সালে চালু হয় গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা। ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সঙ্গে ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষাকে যুক্ত করে গড়ে তোলা এ উদ্যোগ বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলা জুড়ে বিস্তৃত ব্র্যাকের প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি শাখার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এর আওতায় রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ মানুষ, যার মধ্যে ব্র্যাকের ঋণগ্রহীতা এবং তাদের যোগ্য স্বামী বা স্ত্রী অন্তর্ভুক্ত। সুবিধাভোগীদের বড় অংশই ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতাভুক্ত স্বল্প আয়ের নারী।

অনাদায়ী ঋণের দায় তখন পরিবারের জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়ায়, যা তাদের সঞ্চয়, জীবিকা ও ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলে। গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা ইন্স্যুরেন্সের আওতাভুক্ত ঋণের দায় পরিশোধের মাধ্যমে এ ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করে। ফলে জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোর একটিতে পরিবারকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া ঋণের বোঝা বহন করতে হয় না।

উদ্যোগটির আওতায় নিষ্পত্তিকৃত দাবির পরিসংখ্যান থেকে এর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ২০২৫ সালেই গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমার আওতায় ৩৯ হাজার ২৪৩টি দাবি নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় ২৪১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত উদ্যোগটির মাধ্যমে প্রায় ১ হাজার ৪১৫ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করা হয়েছে।

এ স্বীকৃতি প্রসঙ্গে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমার মাধ্যমে যেসব পরিবারের ভবিষ্যৎ আরও নিরাপদ হয়েছে, এই স্বীকৃতি তাদের সবার। স্বল্প আয়ের একটি পরিবারের জন্য প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার সঙ্গে আর্থিক অনিশ্চয়তাও বড় সংকট হয়ে দাঁড়াতে পারে। আমরা কঠিন এ সময়ে কোনো পরিবারকে যেনো ঋণের অতিরিক্ত বোঝা বহন করতে না হয়, সে লক্ষ্যেই আমরা ব্র্যাকের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও দেশের আরও বেশি সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে অর্থবহ ইন্স্যুরেন্স সুরক্ষা পৌঁছে দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

গার্ডিয়ান ব্র্যাক বিমা সরাসরি এসডিজি-১ (দারিদ্র্য বিমোচন), এসডিজি-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ), এসডিজি-৫ (লিঙ্গ সমতা), এসডিজি-১১ (টেকসই নগর ও জনপদ) এবং এসডিজি-১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব) অর্জনে অবদান রাখছে। উদ্যোগটির সুবিধাভোগীদের বড় অংশ নারী হওয়ায় এটি নারী এবং স্বল্প আয়ের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও সহনশীলতা জোরদার করতেও ভূমিকা রাখছে।

এবারের এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডসের জন্য ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৭২টি মনোনয়ন জমা পড়ে। ৭টি গ্র্যান্ড জুরি প্যানেলে ২৭ জন বিশেষজ্ঞের কয়েক ধাপের মূল্যায়ন সম্পন্ন করে টেকসই উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ৫৯টি উদ্যোগকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali