The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের

আইডিআরএ অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমার তুলনায় ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম ব্যয়; একই সময়ে দাবি নিষ্পত্তি বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ব্যবস্থাপনা ব্যয় ধারাবাহিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি বীমা দাবি নিষ্পত্তিতেও প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এর সুফল হিসেবে গ্রাহকেরা পাচ্ছেন আরও উন্নত ও সময়োপযোগী সেবা।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি গার্ডিয়ানের 1

বীমা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমার তুলনায় দেশের সব বিমা কোম্পানির মধ্যে সর্বোচ্চ সাশ্রয় করেছে গার্ডিয়ান।

আইডিআরএর নিয়ম অনুযায়ী, এই সময় প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ৬৩ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানি ব্যবস্থাপনায় প্রকৃত খরচ হয়েছে মাত্র ৫০ কোটি ১ লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ অনুমোদিত সীমার চেয়ে ১৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা কম ব্যয় করেছে গার্ডিয়ান।

গার্ডিয়ান বরাবরই ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাফল্য দেখিয়েছে। ২০২৫ সালেও প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সীমা ছিল ২২৬ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। সে সময় ব্যবস্থাপনা ব্যয় হয়েছিল ১৯২ দশমিক ৩১ কোটি টাকা এবং অনুমোদিত ব্যয়সীমার বিপরীতে সাশ্রয় হয়েছিল ৩৪ দশমিক ০৫ কোটি টাকা।

একই সময় পলিসিধারীদের প্রতি অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও ইতিবাচক অগ্রগতি ধরে রেখেছে গার্ডিয়ান। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৫৬,৪৭৮ টি বিমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা টাকার মূল্যে দাঁড়ায় ১৫০ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১২৯ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত বীমা দাবির সংখ্যা ছিলো ৪৬,১৩৪ টি। ফলে দাবি নিষ্পত্তির পরিমাণ এক বছরে বেড়েছে ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

ব্যবস্থাপনা ব্যয় নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সময়মতো দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকসেবার প্রতি ধারাবাহিক গুরুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে। আইডিআরএ-এর নির্ধারিত ব্যয়সীমার অনেক নিচে ব্যবস্থাপনা ব্যয় বজায় রেখে গার্ডিয়ান একদিকে বিচক্ষণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, অন্যদিকে দাবি নিষ্পত্তিতে প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে পলিসিধারীদের আরও সময়োপযোগী সহায়তা এবং উন্নত সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে।

এই বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “আর্থিক শৃঙ্খলা ধরে রাখার প্রকৃত তাৎপর্য তখনই তৈরি হয়, যখন পলিসিধারীরা তার সুফল পান। আমরা দায়িত্বশীলভাবে আমাদের সম্পদ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি প্রয়োজনের সময় গ্রাহকেরা যেন দ্রুত সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের আর্থিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে এবং একই সঙ্গে ধারাবাহিকতা ও যত্নের সঙ্গে গ্রাহকদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পূরনে সহায়তা করছে।”

ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকসংখ্যাও বাড়িয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ। ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বীমা সুরক্ষার আওতায় থাকা ব্যক্তিগত পলিসিধারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ। ২০২৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখে।

খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali