দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মর্যাদাপূর্ণ HYPERLINK “স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর ত্রয়োদশ সংস্করণ এর জন্য আবেদন আহ্বান করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।

মর্যাদাপূর্ণ HYPERLINK “https://www.britishcouncil.org.bd/en/study-uk/alumni-awards-2027″স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর ত্রয়োদশ সংস্করণ এর জন্য আবেদন আহ্বান করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
যাঁরা যুক্তরাজ্যে অর্জিত শিক্ষা কাজে লাগিয়ে নিজ সম্প্রদায়, শিল্প খাত ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের সাফল্য উদযাপনে এ অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ও শিক্ষার সুযোগ নিয়ে কাজ করে যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সংস্থা ব্রিটিশ কাউন্সিল।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অর্জনের ও প্রভাবকে স্বীকৃতি দিতে চার ক্যাটাগরিতে ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস দেওয়া হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো- জ্ঞান ও টেকসই উন্নয়ন, সংস্কৃতি–সৃজনশীলতা ও ক্রীড়া, সামাজিক উদ্যোগ এবং ব্যবসা ও উদ্ভাবন। যোগ্য আবেদনকারীরা জাতীয় ও বৈশ্বিক দুই পর্যায়েই প্রতিযোগিতা করতে পারবেন।
ব্রিটিশ কাউন্সিলের বিচারকমণ্ডলী ২৮ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে চারজনকে আন্তর্জাতিক বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করবেন। পুরস্কার বিজয়ীদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচিতি বাড়ানো, পেশাগত নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, নিজেদের ক্যারিয়ার আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাজ্যে বিশেষ নেটওয়ার্কিং সফরে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশেও জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের সম্মান জানিয়ে বিশেষ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০২৬। বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে ২০২৭ সালের আগস্টে। এ ছাড়া ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের গল্প ও সাফল্যের চিত্র সবার সামনে তুলে ধরবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
গত বছর বিশ্বের প্রায় ১০০ টি দেশ থেকে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১,৮০০ জনের বেশি অ্যালামনাই আবেদন করেন। ‘স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস-এর দ্বাদশ সংস্করণও বেশ সাড়া ফেলে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশ ও খাতের বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।
গত বছরের আয়োজনের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও আবেদন আহ্বান করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিল্প ও ব্যবসার খাত গড়ে তোলা, উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখা এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব তৈরি করা যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্মান জানাতেই এ আয়োজন।
অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড ২০২৭ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেপুটি ডিরেক্টর মারিয়া রেহমান বলেন, “যুক্তরাজ্যের সাবেক শিক্ষার্থীরা সেখানে অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কীভাবে নিজেদের সমাজ, কর্মক্ষেত্র ও বৃহত্তর সমাজের কাজে লাগাচ্ছেন সেটাকে অনন্য উপায়ে উদযাপন করে স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস। বাংলাদেশের যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদের মধ্যে আমরা তাঁদের বৈচিত্র্যময় কাজের ধরণ ও অনুপ্রেরণার জায়গাগুলো স্পষ্টভাবে দেখতে পাই। কেউ বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছেন, কেউ সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখছেন, আবার কেউ সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন কিছু করছেন।”
“আমি সকল যোগ্য যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইদেরকে এ সুযোগটি কাজে লাফিয়ে নিজেদের সাফল্য উদযাপন ও তার পেছনের গল্প সবার সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। এর মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিবর্তনকামী মানুষের একটি কমিউনিটির সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু অ্যালামনাইদের অর্জনের স্বীকৃতি নয়, বরং তাঁদের কাজের প্রভাবকে আরও বিস্তৃত করা এবং নতুন সুযোগ ও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটি মাধ্যমও,” যোগ করেন তিনি।
আবেদনের বিস্তারিত, ক্যাটাগরি, আবেদনপ্রক্রিয়া ও যোগ্যতার শর্তাবলি জানতে ভিজিট করুন: HYPERLINK “https://www.britishcouncil.org.bd/en/study-uk/alumni-awards-2027″https://www.britishcouncil.org.bd/en/study-uk/alumni-awards-2027
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org